Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: শোনা যাচ্ছে, এই বাড়িটি নাকি প্রায় ২৫০ কোটির সম্পত্তি (Alia Bhatt)। তবে সেই বাড়ি নিয়েই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। অনবরত সেই বাড়ির ভিডিও রেকর্ডিং করা এবং তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ায় বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছেন অভিনেত্রী আলিয়া ভট্ট।
বর্তমানে মুম্বইতে সমুদ্রতট সংলগ্ন একটি বিলাসবহুল ও অত্যাধুনিক বাড়ি নির্মাণ করছেন আলিয়া ভট্ট ও রণবীর কপূর। তাঁদের এই নতুন বাড়ি ঘিরে অনুরাগীদের কৌতূহল তুঙ্গে। এখনও পর্যন্ত সেই বাড়ি নির্মীয়মাণ অবস্থায় রয়েছে, কেউ সেখানে বসবাস শুরু করেননি। তবুও ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নেটিজেনরা জানতে চাইছেন— এই বাড়ির ভেতরে কী কী বিলাসবহুল ব্যবস্থা থাকবে, কেমন হবে এর সাজসজ্জা, কোথায় কোথায় থাকবে আধুনিক সুবিধা। এই কৌতূহল থেকেই অনেকেই বাড়িটির ছবি ও ভিডিও তোলায় মন দিয়েছেন।

কিন্তু এই অতি-উৎসাহই (Alia Bhatt)এখন পরিণত হয়েছে বিরক্তির কারণ। আলিয়া ভট্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ একটি পোস্টে স্পষ্ট জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত জীবনে এই ধরনের অনুপ্রবেশ তিনি মোটেও মেনে নেবেন না।
তিনি লিখেছেন—
“আমি জানি, মুম্বই শহরে জায়গার স্বল্পতা আছে। অনেক সময়েই একজনের জানলা থেকে অন্যের ঘর দেখা যায়। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, অনুমতি ছাড়া কারোর বাড়ির ভিতরের ছবি বা ভিডিও তুলে তা প্রকাশ্যে ছড়িয়ে দেওয়া যাবে। সম্প্রতি জানতে পেরেছি, আমাদের নতুন বাড়ির একাধিক ভিডিও রেকর্ড করা হয়েছে এবং সেগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ আমার অগোচরে ঘটেছে। এটা শুধুই ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ নয়, বরং সরাসরি নিরাপত্তার প্রশ্ন।”

আলিয়া আরও প্রশ্ন তোলেন, (Alia Bhatt)
“একবার ভেবে দেখুন, যদি আপনার নিজের বাড়ির ভিতরের ছবি বা ভিডিও কেউ অনুমতি ছাড়া প্রকাশ্যে ছড়িয়ে দেয়, আপনি কি সেটা মেনে নেবেন? নিশ্চয়ই নয়। তাহলে আমাদের ক্ষেত্রেও কেন এই অবমাননা?”

স্পষ্ট অনুরোধ! (Alia Bhatt)
- সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা এই ধরনের ভিডিও বা ছবি দেখছেন, তারা যেন তা আর ফরোয়ার্ড না করেন।
- সংবাদমাধ্যম ও সংবাদপোর্টালগুলোকে তিনি বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন, কোনওভাবেই এইসব ছবি ব্যবহার না করতে।
- নির্মীয়মাণ বাড়ির চারপাশে নজরদারি ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখার ওপরও তিনি জোর দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: Sridevi: শ্রীদেবীর সম্পত্তি নিয়ে বিতর্ক, আইনের দ্বারস্থ বনি কাপুর
আলিয়ার এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোড়ন শুরু হয়েছে। অনেকে বলছেন, তারকারা যেমন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হন, তেমনি তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনেরও সীমারেখা থাকা জরুরি। অন্যদিকে কিছু নেটিজেন মনে করছেন, অতিরিক্ত কৌতূহল ও সেলিব্রিটি কালচারের কারণে সাধারণ মানুষ অনেক সময় সীমা লঙ্ঘন করে ফেলেন, যা ভবিষ্যতে আরও বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে।



