Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাজ্যে বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতির (Amit Shah) প্রেক্ষাপটে আজ সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিন দিনের সফরে বাংলায় আসছেন। সফরের মূল লক্ষ্য রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব, পদাধিকারী, সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে ভোটের আগে দলকে সুসংগঠিত করা। এ ছাড়াও কলকাতা মহানগরীর দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করারও পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এবারের সফরে কোনও জনসভা করার সূচি নেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।
দলকে শক্তিশালী করার দিকনির্দেশনা (Amit Shah)
রাজ্য বিজেপির সূত্রে জানা যায়, অমিত শাহ বুধবার (Amit Shah) বিকেলে আরএসএসের উত্তর, দক্ষিণ ও মধ্যবঙ্গের শীর্ষ প্রচারক-কার্যকর্তাদের সঙ্গে দু’ঘণ্টার বৈঠক করবেন। বৈঠকে নির্বাচনী কৌশল, প্রচারের অভিমুখ এবং দলকে শক্তিশালী করার দিকনির্দেশনা দেওয়ার বিষয়গুলো আলোচনা হবে। শীর্ষ নেতা সূত্রে খবর, কলকাতার ১৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপর বিশেষ নজর থাকবে। গত লোকসভা ভোটে কলকাতার ৪৫টি ওয়ার্ডে এগিয়ে থাকার পাশাপাশি আর জি কর আন্দোলন ও বিভিন্ন বিক্ষোভআন্দোলন শাসক দলের ভোটভাণ্ডের ওপর প্রভাব ফেলেছে বলে দল মনে করছে। তাই মহানগরীর উপর ফোকাস বাড়াতে শাহের সভার আয়োজন করা হয়েছে।
নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক (Amit Shah)
সফরসূচি অনুযায়ী, সোমবার সন্ধে সাড়ে ৭টায় শাহ (Amit Shah) কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন। সেখান থেকে সরাসরি সল্টলেকের বিজেপি দপ্তরে যাবেন। প্রথমে রাজ্য বিজেপির কোর কমিটির সঙ্গে বৈঠক করার পরে নির্বাচন কমিটির নেতাদের সঙ্গে আলাপ করবেন। মঙ্গলবার দুপুরে নির্দিষ্ট কয়েকজন শীর্ষনেতার সঙ্গে বৈঠক এবং সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন থাকছে। বিকেলে মানিকতলার কেশব ভবনে সংঘ নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করবেন।
সফরের তৃতীয় দিন
সফরের তৃতীয় দিন বুধবার, শাহ সকালে কলকাতার ইসকন মন্দিরে দর্শন করবেন। এরপর একটি হোটেলে রাজ্যের বিধায়ক ও সাংসদদের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক এবং মধ্যাহ্নভোজনের পর তিনি সায়েন্স সিটিতে পৌঁছে মহানগরীর মণ্ডল, জোন, জেলা ও রাজ্যস্তরের নেতৃত্বদের সঙ্গে সভা করবেন। সভা শেষে সন্ধ্যার পর তিনি দিল্লিতে ফিরে যাবেন।

আরও পড়ুন: Aadhar Card: আধার কার্ড হারিয়ে গেছে? ফিরে পাবেন কীভাবে?
রাজ্য রাজনীতির অঙ্গনে এই সফরের গুরুত্ব অনেক। রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সরাসরি উপস্থিতি দলের কর্মীদের জন্য শক্তি ও উৎসাহ যোগাবে। এছাড়া কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে প্রভাব বিস্তার এবং নির্বাচনী কৌশল চূড়ান্ত করতে এই সফরকে বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দলীয় সূত্রের বক্তব্য, এই সফর শুধু বৈঠক বা প্রচার নয়, বরং রাজ্যের নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


