Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গোপাল শীল: ভাঙড়ে ফের রাজনৈতিক অঙ্কে বড়সড় বদল। আইএসএফ থেকে পদত্যাগ করলেন আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam)। নিজের ফেসবুক পোস্টে দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করার পাশাপাশি আইএসএফের নেতৃত্ব ও দলীয় কার্যকলাপ নিয়ে একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তিনি। আর তাঁর পদত্যাগের পরই পাল্টা মন্তব্য করেছেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী।

উত্তপ্ত ভাঙড়ের রাজনীতি (Arabul Islam)
দু’পক্ষের বক্তব্য ঘিরে ফের উত্তপ্ত ভাঙড়ের রাজনীতি। ফেসবুক পোস্টে আরাবুল ইসলাম সরাসরি আইএসএফের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে লেখেন, “আইএসএফের স্বৈরাচারী এবং একনায়কতন্ত্রকে আমি ধিক্কার জানাই।” এখানেই থামেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, আইএসএফের ‘লুম্পেন বাহিনী’র হাতে ভাঙড়জুড়ে মানুষের উপর অত্যাচার-অনাচার চলছে। সেই প্রতিবাদেই দল থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি আরাবুলের।
রাজনীতিতে কথায় বলে (Arabul Islam)
‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’ হলে দুর্গ সামলানো কঠিন। আরাবুলের পদত্যাগের ঘটনাতেও যেন সেই পুরনো প্রবাদই নতুন করে সামনে চলে এল। কয়েক মাস আগেই আইএসএফের সঙ্গে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করেছিলেন আরাবুল। কিন্তু সেই সম্পর্কও যে দীর্ঘস্থায়ী হল না, তাঁর পদত্যাগে তা স্পষ্ট।
নওশাদ সিদ্দিকী বক্তব্য (Arabul Islam)
অন্যদিকে, আরাবুলের দলত্যাগ নিয়ে মুখ খুলেছেন আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকী।নওশাদ বলেন কিছু জন্তু নোংরা জিনিসে মুখ দেয় বলেই তাদের মুখে জালতি পরানো হয়। কিন্তু মুখে জালতি পরানো থাকলেও তারা সেই নোংরার দিকেই মুখ গোঁজে। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভাঙড়ের রাজনীতিতে যখন নতুন সমীকরণ তৈরি হয় তৃণমূল ছেড়ে যোগ দেয় আরাবুল।
এখন বড় প্রশ্ন (Arabul Islam)
আরাবুলের পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ কী? তিনি কি নতুন কোনও রাজনৈতিক মঞ্চে যাবেন, নাকি নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অন্য কোনও কৌশল নেবেন? আর তাঁর দলত্যাগে ভাঙড়ে আইএসএফের সংগঠনে কতটা প্রভাব পড়বে?

আরো পড়ুন: Riddhi Sen: অভিনয়টা আরেকটু মন দিয়ে করতে হবে, শর্বরীকে নাম না করেই কটাক্ষ ঋদ্ধির!
কারণ ভোটের ময়দানে শেষ কথা বলে জনসমর্থন। আর রাজনীতির ময়দানে বহুল প্রচলিত সেই প্রবাদ—‘শেষ ভালো যার, সব ভালো তার।’ ২০২৬-এর ভোটের আগে ভাঙড়ের এই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ শেষ পর্যন্ত কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।



