Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট ৩০ জুন প্রকাশিত সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞা-সংক্রান্ত আপডেটে চারটি ভারতীয় সংস্থার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে (Ban Lifted)। ২০২৪ সালে রাশিয়ার সামরিক-শিল্প খাতকে সহায়তার অভিযোগে এই সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।
৪ ভারতীয় সংস্থার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার (Ban Lifted)
নিষেধাজ্ঞামুক্ত হওয়া চার সংস্থা হল হায়দরাবাদের RRG Engineering ও Lokesh Machines, আহমেদাবাদের Galaxy Bearings এবং দিল্লির Shaurya Aeronautics।
এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময় এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র একই আপডেটে মেক্সিকোর মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ থাকা একাধিক ব্যক্তি ও সংস্থার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞাও ঘোষণা করেছে।
২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র মোট ২৭৫ ব্যক্তি ও সংস্থার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। অভিযোগ ছিল, তারা রাশিয়ার সামরিক-শিল্প কাঠামোকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছে। সেই তালিকায় ছিল ১৯টি ভারতীয় সংস্থাও। তখন মার্কিন ট্রেজারির ডেপুটি সেক্রেটারি জানিয়েছিলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে রাশিয়ার প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির সরবরাহ বন্ধ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এরপর বিষয়টি নিয়ে সক্রিয়ভাবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে ভারত। ২০২৪ সালের ২০ ডিসেম্বর সংসদে কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ২১টি ভারতীয় সত্তা যার মধ্যে ১৯টি সংস্থা ও দুই ব্যক্তি রয়েছেন তাদের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
কেন্দ্র আরও জানায়, নিয়ন্ত্রিত ও দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে ভারতের কঠোর আইন ও নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক অ-প্রসারণ নীতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। পাশাপাশি ভারত Wassenaar Arrangement, Australia Group এবং Missile Technology Control Regime (MTCR)-এর সদস্য হিসেবে সংবেদনশীল প্রযুক্তি রপ্তানিতে দায়িত্বশীল অবস্থান বজায় রাখছে(Ban Lifted)।
আরও পড়ুন: Sensex and Nifty50: মাসের শেষ ট্রেডিংয়েও রক্তপাত দালাল স্ট্রিটে
চারটি সংস্থার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারকে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক আলোচনার ইতিবাচক ফল হিসেবে দেখা হলেও, ২০২৪ সালে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা বাকি ভারতীয় সংস্থাগুলির ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত(US Ban Lifted)। এ বিষয়ে মার্কিন ট্রেজারি এখনও কোনও নতুন ইঙ্গিত দেয়নি।



