Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাংলাদেশের কাছে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে দুটো ম্যাচ হেরে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে আরও ধাক্কা খেল পাকিস্তান (Bangladesh)।
বাংলাদেশের কাছে সিরিজ হার পাকিস্তানের (Bangladesh)
পাকিস্তান ক্রিকেট দিন দিন যে অবক্ষয়ের দিকে যাচ্ছে সেখান থেকে দেখলে তাঁদের অতীত যেন অবাস্তব রূপকথার। ওয়ানডে ক্রিকেটে ইমরান খানের নেতৃত্বে এই পাকিস্তানই একবার বিশ্বকাপ জিতেছিল। তারপর ওয়াসিম আক্রাম হোক বা আখতার আবার ব্যাটিংয়ে ইনজামাম হোক বা আনোয়ার সেই দল যেকোন প্রতিপক্ষকে রুখে দেওয়ার ক্ষমতা রাখত। আজ যে ভারত পাকিস্তান লড়াই একপেশে একসময় সেই লড়াই ছিল ৫০-৫০। সেখান থেকে তলানিতে এসে ঠেকতে ঠেকতে বাংলাদেশের কাছে টেস্ট সিরিজ হার (Bangladesh)।
দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে প্রথম ম্যাচে হারের পর পাকিস্তান দলের সমর্থকরা আশা করেছিলেন দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে অন্তত ড্র করে মুখ বাঁচাবে পাকিস্তান। না সেটা হল না। নিজেদের ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য যা বড় সাফল্য।
পাকিস্তান দলের প্লেয়াররা হোক বা তাঁদের প্রাক্তন তারকারা তাঁরা নিজেদের দলের থেকে বেশি মাথা ঘামিয়েছে ভারতীয় দলকে নিয়ে। এশিয়া কাপ বা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাক প্রাক্তন তারকাদের বারবার দেখা গেছে ভারতের ভুল ধরতে এমনকি আমির শেষ দিন পর্যন্ত মানতেই চাননি যে ভারত বিশ্বকাপ জিতেছে নিজেদের দক্ষতায়। কিন্তু পাকিস্তান ক্রিকেট দিন দিন যেন অস্তমিত সূর্য (Bangladesh)।

সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানের সামনে ছিল ৪৩৭ রানে বড় রান। সেই রান তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান ৩৫৮ রানেই শেষ হয়ে যায়। ফলে ৭৮ রানে ম্যাচ জেতার পাশাপাশি সিরিজও নিজেদের নামে করে নিলেন শান্তরা। পাকিস্তানের হয়ে মহম্মদ রিজওয়ান শেষ পর্যন্ত লড়াই চালালেও বাকিদের সহায়তা পাননি। অবশেষে ৯৪ রানে আউট হয়ে ফেরেন। তাঁর আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাকিস্তানের হার এক প্রকার লেখা হয়ে গেছিল, বাকিটা ছিল সময়ের অপেক্ষা।

পঞ্চম দিনের শুরুতে পাকিস্তান তিন উইকেট হাতে নিয়ে নামে। তাঁদের জেতার জন্য দরকার ছিল ১২১ রান। তখন থেকেই বোঝা যাচ্ছিল ম্যাচ জেতা তাঁদের কঠিন তবু আশায় বাঁচে চাষা। এই প্রচলিত প্রবাদের মত পাক সমর্থকরা আশা করছিলেন যে ম্যাচ জিতে যদি সিরিজ ড্র করতে পারেন পাক প্লেয়াররা। কিন্তু সেই আশায় জল ঢেলে দেন বাংলাদেশের বোলার তাইজুল ইসলাম। তিনি প্রথমে ফেরান সাজিদ খানকে এবং এরপর রিজওয়ানকে ফেরান শরিফুল ইসলাম। তিনি ফিরতেই খেল খতম।
আরও পড়ুন: Park Circus Incident: পার্ক সার্কাসে পুনর্নির্মাণ, গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত :মোট ধৃত বেড়ে ৫০
পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন রিজওয়ান। তিনি ৯৪ রানের ইনিংস খেলেন। এরপর রয়েছেন শান মাসুদ এবং সলমন আঘা। এই দুইজনই ৭১ রানের ইনিংস খেলেন। বাবর আজম ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন। বাকি কেউ আর তেমন লড়াই চালাতে পারেননি। অবশেষে ৭৮ রানে ম্যাচ জিতে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাঁচ নম্বরে গেল বাংলাদেশ। আর এই সিরিজ হারের পর আরও অবস্থা খারাপ হল পাকিস্তানের। আট নম্বরে রয়েছে পাকিস্তান (Bangladesh)।


