Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন আদালত প্রাক্তন শাসক বাশার আল-আসাদকে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে(Bashar al-Assad)। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধকালীন সময়ে সংঘটিত অপরাধের বিচারে এই প্রথম আসাদের বিরুদ্ধে এমন কঠোর রায় দিলো দেশের বর্তমান কর্তৃপক্ষ।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইসলামপন্থীদের নেতৃত্বে বিদ্রোহী বাহিনী দামেস্ক দখল করলে আসাদ পরিবারসহ দেশ ছেড়ে পালিয়ে মস্কোয় আশ্রয় নেন। এরপরই পতন ঘটে আসাদ সরকারের।
আসাদের মৃত্যুদণ্ড: সিরিয়ার ক্রিমিনাল কোর্ট বাশার আল-আসাদের অনুপস্থিতিতেই এই রায় ঘোষণা করে।
আতেফ নাজিবের বিচার: সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং আসাদের ফুফাতো ভাই আতেফ নাজিবকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি সরাসরি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
সুনির্দিষ্ট অভিযোগ: নাজিবের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং বন্দিদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। ২০১১ সালে দারা প্রদেশে রাজনৈতিক নিরাপত্তা শাখার প্রধান থাকাকালীন তিনি শিশুদের ওপরও নির্যাতন চালিয়েছিলেন বলে প্রমাণিত হয়েছে।
আসাদ পরিবারের শাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপট (Bashar al-Assad)
হাফেজ আল-আসাদের মৃত্যুর পর ২০০০ সালে ক্ষমতায় আসেন তার ছেলে বাশার আল-আসাদ। দীর্ঘ প্রায় তিন দশক বাবা এবং পরে দুই দশকের বেশি সময় ধরে ছেলে সিরিয়া শাসন করেন।
২০১১ সালে দারা শহরে সরকারবিরোধী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনী হামলা চালালে দেশজুড়ে প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। অতি দ্রুত তা পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। সরকারি বাহিনী, বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর অংশগ্রহণে এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়।
আরও পড়ুন: Apple Iphone: অ্যাপল আইফোনে মারাত্মক নিরাপত্তা ত্রুটি : ব্যক্তিগত তথ্য হ্যাকিংয়ের আশঙ্কা!
পুরো যুদ্ধজুড়ে আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে নির্বিচারে হত্যা, নিপীড়ন, বন্দি গুম এবং চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের অসংখ্য প্রমাণ পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের শেষ দিকে সরকার পতনের পর শুরু হয় এসব অপরাধের বিচার কাজ(Bashar al-Assad)। আন্তর্জাতিক মহল এবং ভুক্তভোগী সিরীয় নাগরিকদের জন্য এই রায়কে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।



