Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: সকাল থেকেই বাগবাজার সর্বজনীনের চত্বর জমে ওঠে সিঁদুর খেলায় (Bijoya Dashami Baghbazar)। শুধু স্থানীয় মহিলারা নন, দূরদূরান্ত থেকেও অনেক মহিলা এসেছিলেন এই অনন্য মুহূর্তের সাক্ষী হতে। ভোর থেকেই ভিড় জমতে শুরু করে, আর দুপুরের দিকে তা আরও বেড়ে যায়। ঢাকের তালে, উচ্ছ্বাসের আবহে একে অপরকে সিঁদুর মেখে বরণ করে নেওয়া হয় দেবীকে।

আকাশে মেঘ, তবু উচ্ছ্বাস থামেনি (Bijoya Dashami Baghbazar)
দশমীর সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছিল টিপটিপ বৃষ্টি। আবহাওয়া দপ্তরও জানিয়েছিল, সারাদিন এমন আবহাওয়া থাকবে। তবে বৃষ্টির কারণে উচ্ছ্বাসে ভাঁটা পড়েনি। বরং দুপুরের দিকে বৃষ্টি কমতেই বাগবাজার সর্বজনীনে মানুষের ঢল নামে। সিঁদুর খেলায় ভিজে যায় পরিবেশ, কিন্তু আনন্দে ভিজে ওঠেন সকলে।
আরবানায় দেবী বরণ, তারকাদের উপস্থিতি (Bijoya Dashami Baghbazar)
বাগবাজারের পাশাপাশি আরবানাতেও চলে দেবী বরণ ও সিঁদুর খেলা। বৃষ্টির ফোঁটার সঙ্গে মিশে যায় ঢাকের আওয়াজ, মহিলাদের উচ্ছ্বাস। বহু খ্যাতনামা তারকা উপস্থিত ছিলেন এই বরণে। মহিলারা লাইনে দাঁড়িয়ে একে একে উমাকে বরণ করেন।
রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি (Bijoya Dashami Baghbazar)
কুমোরটুলি সর্বজনীন পুজোয় এদিন দেবী বরণে অংশ নেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। এলাকার মহিলাদের সঙ্গে তিনিও মাতেন সিঁদুর খেলায়। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি উৎসবের আবহকে আরও ভিন্ন মাত্রা দেয়।
সর্বত্রই বিদায়ের সুর (Bijoya Dashami Baghbazar)
শুধু কলকাতাতেই নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একইসঙ্গে চলছে দেবী বরণ। কোচবিহার, সিউরি, টাকি সর্বত্রই উমা বিদায়ের আবহ। একদিকে মায়ের বিদায়ের বেদনা, অন্যদিকে বিসর্জনের তোড়জোড়ে ব্যস্ত মানুষ। ঘাটে নিরাপত্তার কড়াকড়ি কলকাতার ঘাটগুলিতে ইতিমধ্যেই সক্রিয় হয়েছে পুলিশ প্রশাসন। বিসর্জনের সময় যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে, সেজন্য স্পিড বোটে নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাজার হাজার মানুষের ভিড় সামলাতে কঠোর নজরদারিতে ব্যস্ত কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন: Kanakdurga Jhargram: চারশো বছরেরও পুরনো কনকদুর্গা মন্দির কেন এত রহস্যঘেরা?
বিদায়ের বিষাদে মিশে আনন্দ
পাঁচদিনের উচ্ছ্বাস-উৎসব যেন হঠাৎ থেমে গেল আজকের দিনে। মায়ের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে বিষাদের ছায়া। তবু সিঁদুর খেলা, দেবী বরণ আর বিসর্জনের তোড়জোড় মিলেমিশে এক অনন্য আবেগের ছবি এঁকে দিল রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে।



