Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের চতুর্থ বর্ষে প্রবেশের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald J. Trump) বড় পদক্ষেপ নিলেন(Ukraine Russia War)। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথমবারের মতো ইউক্রেনকে রাশিয়ার অভ্যন্তরে দীর্ঘ-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য প্রয়োজনীয় গোয়েন্দা সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা। এর ফলে ইউক্রেন রাশিয়ার শক্তি অবকাঠামো—যেমন রিফাইনারি, পাইপলাইন ও বিদ্যুৎকেন্দ্র—লক্ষ্যবস্তু করার সুযোগ পাবে।
রাশিয়ার রাজস্বে আঘাত (Ukraine Russia War)
রাশিয়ার তেলের ওপর নির্ভরশীলতাকে ‘অকিলিস হিল’ হিসেবে চিহ্নিত করে ট্রাম্প প্রশাসন এবার চাপ সেখানেই কেন্দ্রীভূত করছে(Ukraine Russia War)। ইতিমধ্যেই ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা—যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সব বাণিজ্য অংশীদারের মধ্যে সর্বোচ্চ। পাশাপাশি, ইউরোপীয় দেশগুলিকেও বারবার রাশিয়ার তেল ও গ্যাস আমদানি বন্ধ করতে আহ্বান জানানো হয়েছে। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেই রাশিয়া থেকে রাসায়নিক, ইউরেনিয়াম ও সার আমদানি করছে।
টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র বিতর্ক(Ukraine Russia War)
ইউক্রেনকে দীর্ঘ-পাল্লার হামলা চালাতে হলে মার্কিন টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র প্রয়োজন, যার পাল্লা প্রায় ২,৫০০ কিলোমিটার(Ukraine Russia War)। এই অস্ত্রের সাহায্যে মস্কো-সহ পশ্চিম রাশিয়ার অধিকাংশ অঞ্চল ইউক্রেনের হামলার আওতায় চলে আসবে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ট্রাম্পের কাছে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের অনুরোধ করেন। তবে এই অস্ত্র হস্তান্তরের বিষয়ে আমেরিকা এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

আরও পড়ুন : SIR Creek : স্যর ক্রিক সীমান্তে নতুন করে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা, সেনা মোতায়েনের হুঁশিয়ারি ভারতের
রাশিয়ার ক্ষোভ
টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনকে সরবরাহ করা হলে যথাযথ প্রতিক্রিয়া জানানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া। রুশ প্রশাসনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমেরিকা ও ন্যাটোর অবকাঠামো ব্যবহার করেই ইউক্রেনকে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া হচ্ছে।’’
ট্রাম্পের অবস্থান পরিবর্তন(Ukraine Russia War)
রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার পক্ষে বারবার মত দিয়েছেন ট্রাম্প(Ukraine Russia War)। তবে সাম্প্রতিক পদক্ষেপে তাঁর অবস্থানের বড় পরিবর্তন স্পষ্ট। পুতিন আলোচনায় বসতে অনীহা দেখানোয় ট্রাম্প প্রশাসনের ধৈর্য ফুরিয়ে আসছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যদিও এখনও রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেননি ট্রাম্প।
আরও পড়ুন : Pok Protest : পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভ, ঘটনায় ১২ জনের মৃত্যু
ইউক্রেনের সম্ভাবনা নিয়ে ইঙ্গিত
সম্প্রতি এক বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেন, কিয়েভ “পুরনো সীমানাসহ সমগ্র ইউক্রেন ফিরিয়ে আনতে সক্ষম”। এমনকি তিনি ইঙ্গিত দেন, ইউক্রেন “এর থেকেও বেশি কিছু পেতে পারে”, যদিও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।


