Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নিউটাউনের ঘুনি বস্তি পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগিয়েছে তৃণমূল। বুধবারের অগ্নিকাণ্ডের (Newtown Fire) ঘটনায় বিষ্ফোরক অভিযোগ বিজেপির। তৃণমূলকে নিশানা করে অমিত মালব্যের দাবি, ভোটার তালিকায় নাম তুলতে ইচ্ছাকৃত কারসাজি।
‘বাংলাদেশিদের ঘাঁটি’ ঘুনি বস্তি! (Newtown Fire)
রাজ্যে এসআইআরের কাজ শুরু হতেই খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিল নিউটাউনের ঘুনি বস্তি। সেখানে বাংলাদেশিরা ঘাঁটি গেড়ে বসেছিল বলেই খবর। বুধবার সন্ধ্যায় সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড (Newtown Fire)। আগুনের গ্রাসে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায় একাধিক ঝুপড়ি। ঝুপড়িগুলোতে বাঁশ, ত্রিপলের মতো দাহ্য পদার্থ প্রচুর পরিমাণে থাকার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। শতাধিকেরও বেশি পরিবার এক রাতের আগুনে মাথার ছাদ হারিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন ত্রাণ শিবিরে।
আরও পড়ুন:Newtown Fire: নিউটাউনে বিধ্বংসী আগুন, ঝুপড়িতে আগুন লাগায় হাহাকার!
পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগিয়েছে তৃণমূল-কংগ্রেস? ঘটনার পর থেকেই অভিযোগ তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। নিউটাউনের কাছে ঝুপড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তৃণমূলকে নিশানা করে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন, এটি একপ্রকার ‘ওপেন সিক্রেট’ যে বাংলাদেশ থেকে আসা বহু মানুষ ঘুনি ঝুপড়িতে বসবাস করছিলেন, যেখানে এই ভয়াবহ আগুন লেগেছে।
বিজেপি নেতার দাবি, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর, এই এলাকা থেকে হাজার হাজার নাম বাদ গেছে। এই গাফিলতি ঢাকতে এবং ভোটার তালিকায় তাদের নাম আবার যোগ করতে, পরিকল্পিতভাবে এই আগুন লাগিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের আসল উদ্দেশ্য ছিল যাতে পরবর্তীকালে, এই ঝুপড়ির বাসিন্দারা আগুনে (Newtown Fire) আধার কার্ড, রেশন কার্ড ও ভোটার আইডি কার্ড হারিয়েছে বলে দাবি করতে পারেন। এবং নতুন করে নথি ইস্যু এবং এর মাধ্যমে ভুয়োভাবে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত পরিচয়পত্র তৈরি করা তাদের পক্ষে সম্ভব হয়।
পরিকল্পিত অগ্নিকাণ্ড?
পরিকল্পনা করে আগুন লাগানোকে সমর্থন করেছেন স্থানীয়রাও। তবে তাঁদের নিশানায় কোনও রাজনৈতিক দল নয়, প্রোমোটিং কোম্পানীদের টার্গেট করছেন তারা (Newtown Fire)। একদিকে মাথার ছাদ, অন্যদিকে এসআইআর আবহে নথি পুড়ে যাওয়ায় আতঙ্কে সেখানকার মানুষরা। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের যে ক্ষতি হয়েছে তার জন্য ক্ষতিপূরণও দাবি করেছেন তারা।
আরও পড়ুন: Kolkata Kankurgachi Fire: নিউটাউনের পর কাঁকুড়গাছিতেও বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড
এই অবস্থায় সবরকমভাবে মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস জেলা প্রশাসনের। যদিও বুধবার সন্ধ্যায় আগুন (Newtown Fire) লাগার কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। সূত্রের খবর, ঘটনার পরেই সুজিত বসুকে ফোন করে বিস্তারিত খোঁজ নেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, পূর্ণাঙ্গ তদন্তেরও নির্দেশও দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


