Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: CBSE-র নতুন On-Screen Marking (OSM) বা ডিজিটাল মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর উত্তরপত্র মূল্যায়ন, পুনর্মূল্যায়ন এবং স্ক্যানিং সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। এর জেরে নজরে এসেছে CBSE-র ডিজিটাল মূল্যায়ন ব্যবস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা Coempt Edu Teck(CBSE Evaluation)।
আগেও একাধিক অভিযোগ (CBSE Evaluation)
হায়দরাবাদ-ভিত্তিক এই সংস্থার আগের নাম ছিল Globarena Technologies। ২০১৯ সালে তেলঙ্গানা ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার ফল প্রকাশকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্কের সময়ও সংস্থাটির নাম শিরোনামে উঠে এসেছিল। সে বছর প্রায় ৯.৭ লক্ষ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩.৮ লক্ষ ছাত্রছাত্রী অকৃতকার্য হয়। ফল প্রকাশের পর একাধিক আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটে। পরে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, মূল্যায়ন সংক্রান্ত ত্রুটির হার ছিল মাত্র ০.১৬ শতাংশ।
বিতর্কের কয়েক মাস পর Globarena Technologies-এর নাম বদলে Coempt Edu Teck রাখা হয়। যদিও সংস্থার সিইও ভিএসএন রাজু দাবি করেছেন, নাম পরিবর্তনের সঙ্গে তেলঙ্গানা বিতর্কের কোনও সম্পর্ক ছিল না(CBSE Evaluation)।
এদিকে, CBSE কীভাবে এই সংস্থাকে চুক্তি দিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কিছু শর্ত শিথিল করা হয়েছিল। স্ক্যানিংয়ের ন্যূনতম রেজোলিউশন ৩০০ DPI থেকে কমিয়ে ২০০ DPI করা হয় এবং কিছু জরিমানার বিধিও হালকা করা হয়। বিরোধীদের অভিযোগ, এসব পরিবর্তন Coempt-এর সুবিধার জন্য করা হয়েছিল। তবে CBSE এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
বর্তমান বিতর্কের সূত্রপাত হয় কয়েকজন ছাত্রছাত্রীর অভিযোগ থেকে। তারা দাবি করেন, পুনর্মূল্যায়নের সময় পোর্টালে ভুল উত্তরপত্র আপলোড হয়েছে, স্ক্যান কপি অস্পষ্ট ছিল এবং প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে(CBSE Evaluation)।
আরও পড়ুন: Ola Prob: হাইওয়েতে স্বেচ্ছাচারিতা: যাত্রীর কোন অভিযোগে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া?
CBSE স্বীকার করেছে যে প্রায় ২০টি উত্তরপত্র অদলবদলের ঘটনা ধরা পড়েছে। এছাড়া স্ক্যানিংয়ের মান খারাপ হওয়ায় ১৩ হাজারেরও বেশি উত্তরপত্র পরে হাতে মূল্যায়ন করতে হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও সমস্যার কথা মেনে নিয়ে সংশোধনমূলক পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন(CBSE Evaluation)।



