Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরানের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। হামলার অন্যতম লক্ষ্য ছিল কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী চাবাহার। এই ঘটনায় ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি পরিকাঠামো প্রকল্প নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে(Chabahar Attack)।
চাবাহারে হামলা, উদ্বিগ্ন ভারত (Chabahar Attack)
ভারত দীর্ঘদিন ধরে চাবাহার বন্দরে বিনিয়োগ করে আসছে এবং শাহিদ বেহেশতি টার্মিনাল পরিচালনা করছে। পাকিস্তানকে এড়িয়ে আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্যিক সংযোগ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই বন্দর ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, রাতভর অভিযানে ইরানের প্রায় ৯০টি সামরিক স্থাপনা ও নৌ-সম্পদে হামলা চালানো হয়েছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।
ইরানের স্থানীয় প্রশাসন ও রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, চাবাহার বন্দরের মেরিটাইম ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ার এবং দুটি মেরিন পিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি বিদ্যুৎ লাইনের মধ্যে দুটি অস্থায়ীভাবে সচল করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের দাবি, হামলার লক্ষ্য ছিল শুধুমাত্র ইরানের সামরিক ও সামুদ্রিক সক্ষমতা। বেসামরিক অবকাঠামো বা বড় জ্বালানি স্থাপনাকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি।
চাবাহার বন্দর আন্তর্জাতিক নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডর (INSTC)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২০২৪ সালের মে মাসে ভারত ১০ বছরের জন্য শাহিদ বেহেশতি টার্মিনাল পরিচালনার চুক্তি স্বাক্ষর করে। বর্তমান উত্তেজনার ফলে এই বন্দরকেন্দ্রিক বাণিজ্য ও আঞ্চলিক সংযোগ পরিকল্পনা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে (Chabahar Attack)।
আরও পড়ুন:Trump New Attack: ট্রাম্পের নতুন হামলায় ফের উত্তপ্ত ইরান, উপসাগরে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যত শেষ হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ভবিষ্যতে ইরানের যেকোনো হামলার জবাবে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Chabahar Attack)। অন্যদিকে, ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে মার্কিন অভিযানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তবে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ হামলার তীব্র নিন্দা করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি কবে খুলবে, সেই সিদ্ধান্ত ইরানই নেবে।



