Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অভ্রদীপ দাস: চিংড়িঘাটার কুখ্যাত যানজট থেকে (Chingrighata Traffic) রেহাই পেতে চলেছেন ই এম বাইপাসের নিত্যযাত্রীরা। নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রো রুটের কাজের জন্য চিংড়িঘাটায় সাময়িকভাবে যে নতুন বাই-লেনটি তৈরি করা হয়েছিল, মেট্রোর কাজ শেষের মুখে এলেও সেটি আর বন্ধ করা হচ্ছে না। বরং বাইপাসের চিরপরিচিত যানজটে রাশ টানতে এই বাই-লেনটিকে স্থায়ীভাবে চালু রাখার পরিকল্পনা করছে লালবাজার।
কী জানা গিয়েছে? (Chingrighata Traffic)
কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাময়িকভাবে (Chingrighata Traffic) যানজট সামাল দিতে মেট্রো কর্তৃপক্ষ ও কেএমডিএর যৌথ উদ্যোগে ক্যাপ্টেন ভেড়ির সামনে থেকে মেট্রো ব্রিজ বরাবর চিংড়িঘাটা পর্যন্ত প্রায় ৪০০ মিটারের এই দীর্ঘ রাস্তাটি তৈরি করা হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল মেট্রোর কাজ শেষ হলে লেনটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। কিন্তু ট্রাফিক পুলিশের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এই লেনের কারণে বাইপাসে গাড়ির গতি অভাবনীয়ভাবে বেড়েছে।
লালবাজারের সমীক্ষা রিপোর্ট (Chingrighata Traffic)
লালবাজারের সমীক্ষা রিপোর্ট অনুযায়ী, মেট্রোর কাজ শুরুর আগে অফিস টাইমে বাইপাসের উল্টোডাঙামুখী ফ্ল্যাঙ্কে সিগন্যালে গাড়ি দাঁড়ানোর সর্বোচ্চ সময় ছিল ২ মিনিট বা নির্দিষ্টভাবে ১৩৫ সেকেন্ড। কিন্তু বর্তমানে এই বাই-লেনটি সচল থাকায় সেই অপেক্ষার সময় কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৭০ সেকেন্ডে। অর্থাৎ, প্রায় অর্ধেক সময় বাঁচছে চালকদের।
কীভাবে কাজ করছে?
ট্রাফিক পুলিশ মূলত সরকারি-বেসরকারি বাস, মিনিবাস, অফিস শাটল ও অ্যাপ নির্ভর বড় বাসগুলোকে এই বাই-লেন দিয়ে ঘুরিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে মেট্রোপলিটন থেকে বাসগুলো সরাসরি পৌঁছে যাচ্ছে চিংড়িঘাটা ক্রসিংয়ে।
বড় গাড়িগুলো আলাদা লেনে চলে যাওয়ায় মূল বাইপাসে ছোট গাড়ি, ট্যাক্সি ও বাইকগুলো বাড়তি জায়গা ও সময় পাচ্ছে।
মূল বাইপাসে উল্টোডাঙামুখী ফ্ল্যাঙ্কে সিগন্যাল ‘লাল’ থাকলে, একই সময়ে বাই-লেনের সিগন্যাল ‘সবুজ’ করে দেওয়া হচ্ছে। ফলে ধীরগতির বড় গাড়িগুলোর জন্য ছোট গাড়ি আটকে থাকছে না।
আরও পড়ুন: Baruipur Case: নাবালিকার ওপর মূল নির্যাতনকারী আনন্দ! বারুইপুর কাণ্ডে তিন অভিযুক্তকে মুখোমুখি জেরা
শুধু উল্টোডাঙামুখী নয়, সন্ধ্যার অফিস টাইমে রুবি মোড়মুখী যান চলাচল মসৃণ করতেও বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মেট্রোপলিটন খাল থেকে সায়েন্স সিটি পর্যন্ত প্রায় ৭০০ মিটার দীর্ঘ একটি পৃথক লেন তৈরি করা হয়েছে। বেলেঘাটা ট্রাফিক গার্ডের এক আধিকারিকের কথায়, মেট্রোপলিটন ক্রসিং পেরোলেই বাইপাস কিছুটা সংকীর্ণ হয়ে যায়, যার জেরে সন্ধ্যায় তীব্র যানজট তৈরি হতো। এই সমস্যা মেটাতেই চিংড়িঘাটার দু’দিকের ফ্ল্যাঙ্কেই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে এবং এতে দারুণ সুফল মিলছে।
পুলিশ সূত্রের খবর নতুন এই ট্রাফিক ব্যবস্থার ফলে এবার সেই চেনা দুর্ভোগ থেকেও পাকাপাকিভাবে মুক্তি পেতে চলেছেন শহরের নিত্যযাত্রীরা।


