Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দিল্লিতে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ‘তিরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা অব্যাহত (CJP Protest)। রাতভর আটক থাকার পর শনিবার ভোরে হাসপাতাল থেকে মুক্তি পেলেন আইসা নেত্রী নেহা বোরা। পরে তাঁকে দিল্লির আর কে পুরম থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে নেহা মুক্তি পেলেও এখনও পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। দিল্লি পুলিশের দাবি, তাঁকে প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট করা হয়েছে।

‘তিরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তেজনা (CJP Protest)
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা এবং আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতাদের মুক্তির দাবিতে শুক্রবার বিকেল ৫টায় দিল্লিতে ‘তিরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন অভিজিৎ দীপকে। তবে কর্মসূচির আগেই তাঁর বাড়ির সামনে পৌঁছে যায় দিল্লি পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার জন্য নোটিস দেওয়া হয়। এরপরই তাঁকে আটক করা হয়। চলতি সপ্তাহে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট করা হল ককরোচ জনতা পার্টির প্রধানকে। পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।
মান্ডি হাউস থেকে আটক নেহা বোরা (CJP Protest)
অন্যদিকে, শুক্রবারই মান্ডি হাউসের কাছ থেকে আটক করা হয় আইসার সর্বভারতীয় সভানেত্রী নেহা বোরাকে। রাতের দিকে তাঁর সংগঠনের তরফে অভিযোগ করা হয়, নেহাকে একা আটক করে কোনও অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর কাছে ফোনও ছিল না বলে দাবি করেন সহকর্মীরা।
আইসার এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে দিল্লি পুলিশের কাছে নেহার অবস্থান জানাতে দাবি করা হয়। সেখানে পুলিশের বিরুদ্ধে ‘অপহরণ’-এর অভিযোগও তোলা হয়। একই ধরনের অভিযোগ সামনে আসে ককরোচ জনতা পার্টির তরফেও। তাদের দাবি ছিল, অভিজিৎ দীপকেকেও পুলিশ অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গিয়েছে।
সকালে মুক্তি নেহার, দীপকে এখনও আটক (CJP Protest)
শেষ পর্যন্ত শনিবার সকালে নেহা বোরাকে মুক্তি দেওয়া হলেও অভিজিৎ দীপকের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বদলায়নি। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, তাঁকে প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্টে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ সম্ভাব্য বিক্ষোভ বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশঙ্কা থেকেই তাঁকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশের বক্তব্য।
পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে বাড়ছে প্রশ্ন
শুক্রবার দীপকের বাড়িতে পুলিশের যাওয়ার পর থেকেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন উঠেছে। কর্মসূচি আটকাতে প্রশাসনের পদক্ষেপ কতটা যুক্তিসঙ্গত, আটক ব্যক্তিদের অবস্থান সম্পর্কে পরিবার ও সংগঠনকে কতটা তথ্য দেওয়া হয়েছিল—তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলি।



