Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিমানবন্দর থেকে শুরু করে জনবহুল জায়গা— সৌদি আরবের একাধিক এলাকায় আকাশপথে লাগাতার হামলা চলছে (Cristiano Ronaldo)। রিয়াধের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মিসাইল হামলায় এক ভারতীয়-সহ একাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এহেন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হচ্ছে সেদেশের ক্রীড়াজগৎ তথা ফুটবলও। নিরাপত্তার আশঙ্কায় ফুটবলপ্রেমীরা যেমন স্টেডিয়ামে আসতে ভয় পাচ্ছেন, তেমনই পিছিয়ে দিতে হয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোদের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও।
ম্যাচ শুরুর আগে বিস্ফোরণ (Cristiano Ronaldo)
সোমবার স্থানীয় রাত সাড়ে ন’টায় ছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোদের ক্লাব আল নাসেরের ম্যাচ। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল নেফচি ফেরগানা। সংবাদসংস্থা এএফপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ম্যাচ শুরুর ঠিক আগে রিয়াধে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। একই সঙ্গে শহরবাসীর মোবাইল ফোনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। সেখানে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয় যে আকাশপথে হামলা চলছে, তাই সকলে যেন নিরাপদ স্থানে থাকেন এবং দরজা-জানলা থেকে দূরে অবস্থান করেন। তবে সৌদির প্রতিরোধ ব্যবস্থার কারণে শেষ পর্যন্ত রিয়াধে মিসাইল আছড়ে পড়তে পারেনি, মাঝ আকাশেই তা প্রতিহত করা হয়।
পিছিয়ে যায় খেলা (Cristiano Ronaldo)
এই চরম উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতেও স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ দাবি করতে থাকে যে মাঠের পরিবেশ সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং নির্ধারিত সময়েই ম্যাচ শুরু করা সম্ভব। কিন্তু নিরাপত্তা নিয়ে বেঁকে বসেন ম্যাচ সম্প্রচারকারীরা। তাঁদের আপত্তির কথা মাথায় রেখেই শেষ পর্যন্ত এক ঘণ্টা দেরিতে ম্যাচ শুরু হয়। খেলা চলাকালীন বড় ধরনের কোনো বিপত্তি না ঘটলেও প্রথমার্ধের ঠিক আগে কেরিয়ারের ৯৮১তম গোলটি করেন পর্তুগিজ তারকা রোনাল্ডো। শেষ পর্যন্ত আল নাসের ৩-১ গোলে ম্যাচটি জিতে নেয়। তবে এমন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মধ্যে ফুটবল ম্যাচ চালিয়ে যাওয়ার যৌক্তিকতা ও নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
আরও পড়ুন: Deepak Tangri: আইএসএলের শুরুতেই মোহনবাগানে শাস্তির খাঁড়া
বিমানবন্দর লক্ষ্য করে লাগাতার হামলা (Cristiano Ronaldo)
গত শনিবার সৌদির রিয়াধের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জোরালো হামলা চালিয়েছিল হাউথি বিদ্রোহীরা (Cristiano Ronaldo)। এই ভয়াবহ হামলায় এক ভারতীয় নাগরিকসহ অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়। এরপর রবিবার দাম্মামের কিং ফাহদ বিমানবন্দরের রানওয়েতেও মিসাইল আছড়ে পড়ার ঘটনা ঘটে, যার জেরে বিমানবন্দরের একাংশে আগুন ধরে যায়। ইয়েমেনে সৌদি জোটের লাগাতার বিমান হামলার পাল্টা জবাব হিসেবেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে দায় স্বীকার করেছে হাউথিরা। এই ধারাবাহিক হামলার জেরে আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াধে সমস্ত বিমান চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখা হয়েছে।



