Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: লখনৌ ২০৩ রান তোলে ২০ ওভারের শেষে। ৪ বল বাকি থাকতেই মাত্র ৫ উইকেট হারিয়ে সহজ জয় তুলে নেয় হলুদ ব্রিগেড (CSK)।
চেন্নাইয়ের দাপুটে জয় (CSK)
\ফের আরেকবার হলুদ ঝড়ে কাবু বিপক্ষ শিবির। এই মাঠে কিছুদিন আগে গুজরাটের কাছে হেরে ধাক্কা খেলেও রবিবারের ম্যাচে আবার জয় ছিনিয়ে নিল চেন্নাই শিবির। হারের গ্লানি ভুলে জয়ের স্বাদ ফিরে পেল সঞ্জু-ঋতুরাজরা। টানা তিন ম্যাচ জিতে নিজেদের প্লে-অফের দাবি আরও জোরালো করল। ১১ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে চেন্নাই রয়েছে পাঁচ নম্বরে। অন্যদিকে লখনৌ সুপার জায়ান্টসের টিম টিম করে জ্বলতে থাকা প্রদীপ শিখা নিভে গেল। বলা যায় এই ম্যাচে হেরে আইপিএল বিদায় হয়ে গেল পন্থদের। প্রথমে ব্যাট করে ২০৩ রান করলেও সেই রান তাঁরা ডিফেন্ড করতে ব্যর্থ হন। ৫ উইকেট হারিয়ে সহজ জয় ছিনিয়ে নেই চেন্নাই (CSK)।
এই দিনের ম্যাচে লখনৌ সুপার জায়ান্টসের শুরুটা হয় মারকাতারীভাবে। আগ্রাসী মেজাজে ছিলেন জশ ইংলিশ এবং মিচেল মার্শ। ওপেনিংয়ে ঝড় তুলে পাওয়ার প্লে-র শেষে জুটিতে তাঁরা তোলেন ৯১ রান। যা আইপিএল-এর ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্কোর পাওয়ার প্লে-তে। সেখান থেকে মনে হতে শুরু করেছিল LSG-র স্কোর শেষ পর্যন্ত ২৩০-এর কাছাকাছি চলে যাবে। ইংলিশ ১৭ বলে নিজের হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ৩৩ বলে ৮৫ রান করে ফেরেন তিনি। মার্শ ১০ রানে ফেরেন। এই দিনের ম্যাচে আবারও ব্যর্থ পুরান। অধিনায়ক ঋষভ পন্থও ব্যর্থ হন।

একসময় যখন মনে হতে থাকলে ২৩০-এর কাছাকাছি রান উঠবে সেখান থেকে মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় ১৮০ রান ওঠা নিয়ে সংশয় হয়ে দাঁড়ায়। তবে পরের দিকে শাহবাজ আহমেদ হিম্মত সিংয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে গড়েন ৫০ রানের গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপ। শাহবাজ অপরাজিত থাকেন ২৫ বলে ৪৩ রানে। হিম্মত করেন ১৭ রান। অবশেষে ২০৩ রানে শেষ হয়ে LSGযার ইনিংস। চেন্নাইয়ের হয়ে ৩টি উইকেট নেন জেমি ওভারটন এবং ২ উইকেট নেন অংশুল কম্বোজ (CSK)।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে সম্পূর্ণ লাইম লাইট কেড়ে নেন উর্ভিল প্যাটেল। চিপকে দর্শকরা সাক্ষী থাকলেন উর্ভিল ঝড়ের। তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সামনে লাখনৌ বোলারদের ভেঙে পড়তে সময় লাগেনি। ১৩ বলে সেঞ্চুরি করে তিনি যুগ্মভাবে দ্রুততম অর্ধশতরানের রেকর্ড গড়লেন। আবেশ খানের বলে হাঁকান শেষ তিন বলে তিনটি ছক্কা এবং দিগ্বেশ রাঠির বিরুদ্ধে ২ বলে ২টি ছক্কা মারেন।
আরও পড়ুন: Khudiram Tudu: ১৫ বছর পর বাঁকুড়ার ভাগ্য বদলাবে ক্ষুদিরাম টুডুর হাত ধরে?
শুরুতে রান তাড়া করতে নেমে সঞ্জু ১৪ বলে ২৮ করে আউট হন। ঋতুরাজ ২৮ বলে ৪২ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। প্রশান্ত বীর (১৭) এবং শিবম দুবে (১৫) দলকে এগিয়ে দেন কিছুটা। তবে এই ম্যাচের সেরা ওভারটন হলেও নায়ক ছিলেন উর্ভিল প্যাটেল। উর্ভিল শেষ পর্যন্ত ২৩ বলে ৬৫ রান করে আউট হন। শেষ ওভারে পরপর দুটি ছক্কা হাকঁকিয়ে ৫ উইকেট হাতে রেখে দলকে জিতিয়ে দেন শিবম (CSK)।


