Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শীত এলেই দিল্লির দূষণ (Delhi AQI) মোকাবিলায় একের পর এক বিধিনিষেধ জারি করে প্রশাসন। কিন্তু তাতেও রাজধানীর বাতাসের গুণমানে স্থায়ী উন্নতির ছবি দেখা যাচ্ছে না। পরিবেশ গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার’ (CREA)-এর সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এমনই উদ্বেগজনক তথ্য। দূষণ নিয়ন্ত্রণে গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান বা GRAP কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
দিল্লির গড় বায়ুগুণমান সূচক (Delhi AQI)
সংস্থাটির পরিসংখ্যান (Delhi AQI) অনুযায়ী, ২০২২-২৩ সালের শীতকালে দিল্লির গড় বায়ুগুণমান সূচক (AQI) ছিল ২৮০। ২০২৫-২৬ সালের শীতকালে সেই গড় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯৫-এ। ২০১৬ সাল থেকে কার্যকর এই জরুরি দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সত্ত্বেও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি বলেই ইঙ্গিত মিলেছে।
বাড়ছে AQI
CREA গত চার বছরের শীতকালে দূষণ বিপজ্জনক স্তরে পৌঁছনোর ১২টি পর্ব বিশ্লেষণ করেছে। দেখা গিয়েছে, ১২টির মধ্যে ১০টি ক্ষেত্রে GRAP-এর কঠোর বিধিনিষেধ জারির পরের সাত দিনে AQI আরও বেড়েছে। মাত্র দু’টি ক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তি মিলেছিল।
উল্লেখযোগ্য ভাবে, ২০২৩ সালের ২ নভেম্বর কড়া বিধিনিষেধ জারির পর AQI ৩১৭ থেকে বেড়ে ৪৩১-এ পৌঁছয়। ২০২২ সালের ২৯ অক্টোবর দূষণ সূচক বেড়েছিল ১০০ পয়েন্ট। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতেও দু’টি পৃথক দিনে AQI যথাক্রমে ৯৪ ও ৯২ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়।
আরও পড়ুন: Ranbir Kapoor: ‘রামায়ণ’ প্রচারে বড়সড় ভুল রণবীরের, ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন আলিয়া!
বিশ্লেষণে আরও দেখা গিয়েছে, শীতের প্রায় প্রতি পাঁচ দিনের মধ্যে চার দিনই দিল্লিবাসীকে GRAP-এর দ্বিতীয় পর্যায় বা তার চেয়ে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে থাকতে হয়েছে।


