Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে শনিবার যন্তরমন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (Delhi Protest)। সেই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত রাজধানীর পরিস্থিতি। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে দিল্লিকে। শহরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আধাসেনা। সূত্রের খবর, সবমিলিয়ে প্রায় ২৬ হাজার নিরাপত্তাকর্মীকে মোতায়েন করা হয়েছে।
বন্ধ একাধিক রেলস্টেশন (Delhi Protest)
পরিস্থিতির আঁচ পড়েছে রেল পরিষেবাতেও। নয়াদিল্লি রেল স্টেশনে ট্রেন ঢোকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনেও। এর জেরে কলকাতা থেকে দিল্লিগামী একাধিক ট্রেন বাতিল হয়েছে। শুক্রবার শিয়ালদহ ও হাওড়া থেকে নয়াদিল্লিগামী জোড়া রাজধানী এক্সপ্রেসও বাতিল করা হয়েছে বলে খবর। শনিবার ভোর ৪টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত নয়াদিল্লি স্টেশনে ট্রেন প্রবেশ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৫৭ মেট্রো স্টেশনেও কড়া নিষেধাজ্ঞা (Delhi Protest)
শুধু রেল নয়, মেট্রো পরিষেবাতেও প্রভাব পড়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থার। দিল্লির ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রাজধানীতে বাইরে থেকে মানুষের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে দিল্লির সমস্ত মদের দোকানও শুক্র ও শনিবার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে আবগারি দপ্তর।
অনুমতি মেলেনি, তবু প্রতিবাদের ডাক (Delhi Protest)
দিল্লি পুলিশ সূত্রে দাবি, ১০ অক্টোবর যন্তরমন্তরে এই প্রতিবাদ কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়নি। পুলিশ সাধারণ মানুষকে ওই সমাবেশে যোগ না দেওয়ার আবেদন জানাচ্ছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, অনুমতিহীন জমায়েতকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।
বিরোধীদের প্রশ্ন, প্রতিবাদ ঠেকাতেই কি এত কড়াকড়ি?
নিরাপত্তার এই বিপুল আয়োজন নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ কটাক্ষ করে বলেছেন, ইন্ডিয়া জোটের টানা প্রতিবাদে সরকার ঘাবড়ে গিয়েছে বলেই নিরাপত্তার এমন বহর দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের আগে পরিবহণ ব্যবস্থা বন্ধ, হোটেল না পাওয়া এবং সাধারণ মানুষকে বাইরে বেরোতে নিষেধ করার অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন কপিল সিবল।
আরও পড়ুন: Nandigram Election: গণনাকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা, শুরুতেই পদ্মের দাপট
মুম্বইয়ের পর এবার দিল্লি—নজরে রাজনৈতিক প্রতিবাদ
কয়েকদিন আগেই জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে মুম্বইয়ে জমায়েত করেছিল সিজেপি। সেখান থেকেই দিল্লির যন্তরমন্তরে ফের প্রতিবাদের ঘোষণা করা হয়। এবার সেই কর্মসূচিতে বিরোধী দলগুলির একাংশও যোগ দিতে পারে বলে জল্পনা। ফলে প্রতিবাদ শুরুর আগেই রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।



