Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার: ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি)র তরফ (Delhi Weather) থেকে জানানো হয়েছে, ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার, দিল্লি থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বিদায় নিয়েছে। ২০০২ সালেও এই একই ভাবে সময়ের আগেই বিদায় নিয়েছিল মৌসুমী বায়ু। সেই বছর ২০ সেপ্টেম্বর মৌসুমী বায়ু বিদায় নিয়েছিল। ২৩ বছর পর আবার সেই একই ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে।
কবে থেকে বিদায় নিচ্ছে বর্ষা? (Delhi Weather)
বর্ষা বিদায় বলতে সাধারণত বৃষ্টিপাতের দীর্ঘস্থায়ী (Delhi Weather) বিরতি, আদ্রতার মাত্রা হ্রাস এই বিষয়গুলিকে বোঝায়। আবহাওয়ার পরিস্থিতির সব দিক নজরে রেখেই আবহাওয়া দফতর এই বর্ষা বিদায়ের কথা জানিয়েছে। সাধারণত সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে মৌসুমী বায়ু বিদায় নেওয়া শুরু করে এবং ধীরে ধীরে তা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে সরে যায়। আইএমডির সংশোধিত তারিখ অনুযায়ী, চলতি মাসের ১৭ তারিখ থেকেই বর্ষা বিদায় শুরু হয়েছে।
আইএমডি এর তথ্য (Delhi Weather)
আইএমডি এর তথ্য অনুযায়ী, পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও রাজস্থানের বেশিরভাগ অংশের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ এবং গুজরাটের কিছু অংশ থেকে ইতিমধ্যেই বর্ষা বিদায় নিয়েছে। এর ফলস্বরূপ দিল্লি ও উত্তর পশ্চিম ভারতের অন্যান্য অংশে ধীরে ধীরে শুষ্ক আবহাওয়া দেখা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিচ্ছিন্ন বৃষ্টিপাতের আশা করা গেলেও সেভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের আশা রাখা যাচ্ছে না। ২৩ সেপ্টেম্বরের পূর্বাভাস ২৩ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবহাওয়ার সতর্কতা দেওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন: Cyclone Arnab: ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে জারি রেড অ্যালার্ট, কোথায় বৃষ্টির সম্ভাবনা সবথেকে বেশি?
আবহাওয়াবিদদের উদ্বেগ-
বিগত বছরের দিল্লি থেকে বর্ষা বিদায়ের তারিখের দিকে নজর রাখলে দেখা যাবে, চলতি বছরের সঙ্গে তার অনেকটাই ব্যবধান রয়েছে। ২০০২ সালে ২০ সেপ্টেম্বর বর্ষা বিদায় অনেকটাই পিছিয়ে গেছিল। অন্যবছরগুলিতে এটি সেপ্টেম্বরের শেষ বা অক্টোবর অবধি রাজধানীর ওপর অবস্থান করতো। বর্ষা বিদায়ের পর থেকেই দিল্লির বায়ুর গুণমান খারাপ হতে শুরু করেছে। দিল্লি দূষণ কমিটির তথ্য অনুযায়ী, শহরের ২৪ ঘন্টার গড় বায়ু গুণমান সূচক (একিউআই) যথাক্রমে ১৯ সেপ্টেম্বর ১১৮, ২০ সেপ্টেম্বর ১৬০, ২১ সেপ্টেম্বর ১৬৯, এবং ২২ সেপ্টেম্বর ১৭৮ এ দাঁড়িয়েছে। বুধবার এই রেকর্ড ছিল ১৫১। দিওয়ালির পর দিল্লির বায়ুদূষণ নিয়ে আবহাওয়াবিদরা যথেষ্ট উদ্বিগ্ন।


