Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পলাশ নস্কর, নিউটাউন: প্রত্যেকদিনের (Dilip Ghosh) মতোই বুধবার একাধিক জ্বলন্ত ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপি বিধায়ক দিলীপ ঘোষ।
বিমান দুর্নীতি (Dilip Ghosh)
কেয়ার ওয়েল এভিয়েশন এর মাধ্যমে বিমান কিনে আবার (Dilip Ghosh) সেটাই ভাড়া! ইডির তদন্তে দুর্নীতির অভিযোগ।
তৃণমূল কংগ্রেস জল স্থল আকাশ সব জায়গায় দুর্নীতি করেছে। যখন তদন্ত করছে তখন নিশ্চয়ই সব বেরোবে। সরকারি পয়সায় বিমান কেনা! আর সেটা ব্যবহার করলে ভাড়া দেখানো হবে? এই অভিনব দুর্নীতি পশ্চিমবঙ্গতেই দেখা যায়। এর সমস্ত কিছুর তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। এবং এর সঙ্গে যুক্ত সমস্ত ব্যক্তিদের তদন্ত দরকার। সে মুখ্যমন্ত্রীও যুক্ত …মুখ্যমন্ত্রী কেন অ্যালাও করেছেন? সবাইকে ডাকা উচিত।
বাংলায় শিল্পের জোয়ার (Dilip Ghosh)
বাংলায় আবার শিল্পের জোয়ার! শ্যাম স্টিল ইস্পাত (Dilip Ghosh) শিল্পে, লাক্স কোজির নতুন কারখানা। অন্যদিকে হুগলিতে খুলছে একের পর এক জুট মিল।
সমস্ত কারখানা তো জোর করে বন্ধ করা হয়েছে তোলাবাজির জন্য (Dilip Ghosh)। ওখানে হাজার হাজার শ্রমিক ছিলেন। যতগুলো শিল্পতালুক ছিল আমাদের এখানে কেউ আর নতুন কারখানা করতে চাইছিল না। ৫০ বছর ধরে যারা ব্যবসা করছেন তাদেরকেও কারখানা করতে দেওয়া হয়নি, অন্য রাজ্যে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন, তারা এখন ফিরে আসছেন।
সেই সময় আমরাই বলেছিলাম ওড়িশায় ব্যবসা করুন। তারা এখন উড়িষ্যার জমি ছেড়ে দিয়ে বাংলায় আসছে। সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পপতি সকলের মধ্যেই উৎসাহ। আমাদের সরকার এখনো পুরোপুরি তৈরি হতে পারেনি কিন্তু মানুষ উদগ্রীব হয়ে আছে এখানে ব্যবসা করার। আমার মনে হয় আপনারা খুব তাড়াতাড়ি দেখতে পারবেন সব জায়গায় পরিবর্তন এসেছে।
ডিম থেরাপিতে ভীত জনপ্রতিনিধি (Dilip Ghosh)
আমি ভার্চুয়াল মিটিং করেছি সমস্ত প্রধানদের সঙ্গে। ২৬১০ জন প্রধান উপস্থিত ছিলেন ভার্চুয়াল মিটিং। আমি বলেছি আপনারা এসে কাজ শুরু করুন। একটা মৃত্যু হলে সার্টিফিকেট লাগে মরা পোড়ানোর জন্য। জন্ম সার্টিফিকেট থেকে শুরু করে আধার কার্ড রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট এমনকি উন্নয়ন মূলক সামাজিক প্রকল্প সবেতেই সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়। কত মানুষের প্রয়োজন হয়। আমরা আহ্বান করেছি আপনার আসল কাজ করুন আমরা দেখব। আমরা সহযোগিতা করব আমাদের বিধায়কদের বলেছি সহযোগিতা করতে যাতে কাজটা হয়।। মানুষ যাতে পরিষেবা পায়। কেন্দ্রীয় সরকারের যে সুবিধা সেগুলো বঞ্চিত না হয়।।
আজকে সেই প্রধানরাই পালাচ্ছে যারা সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য পয়সা নিতো। ঘোরাতো মানুষকে, যত রকম অত্যাচার করেছে; তাদেরকে তো ডিম খেতেই হবে। আমি তো বলেছি এখন এলে ডিম খাবেন, পরে এলে তো ইঁট খেতে হবে। কোনটা খাবেন বেছে নিন, কিন্তু আসতে হবে কাজ করতে হবে। না হলে পদত্যাগ করতে হবে। সিস্টেমকে আটকে রাখার অধিকার কারো নেই।

বারুইপুরে ব্যতিক্রমী ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রী গেলেন, বিরোধীদের সঙ্গে কথা বললেন, কথা বললেন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে।
এটাই পরিবর্তন। আগের সরকারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুধু ডায়লগ মারতেন আর কলকাতাতে হেঁটে দিয়ে শুধু মিডিয়ায় থাকতেন। এত বড় বড় দুর্ঘটনা হয়েছে কোথাও যাননি তিনি। সব শান্ত হয়ে গেলে পরে যেতেন। কোন দায় নেন নি কাউকে সাজা দেন নি। সেই কাজটা আমাদের করতে হচ্ছে।
শুনলাম বিরোধী নেতা-নেত্রীরা ডায়লগ দিচ্ছেন (Dilip Ghosh) পুলিশ আটকাচ্ছে যদি আটকা তো তাহলে ওখানে যেতে পারতেন পুলিশের সাহায্য নিয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। গিয়ে ছবি তুলছেন। ভাবুনতো গত ১৫/ ২০ বছরে এই ধরনের ঘটনা।
বসিরহাট দাঙ্গায় কার্তিক ঘোষ মারা গিয়েছিলেন। আমাদেরকে আটকে দেওয়া হয়েছে। কলকাতা থেকে বের হতে দেওয়া হয়নি। লকেট চ্যাটার্জি রুপা গঙ্গোপাধ্যায় কে আটকানো হয়েছিল। আর জি কর মামলাতে আমাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে আমাদের আটকেছে।
আপনাদের চৌদ্দ পুরুষের ভাগ্য ভালো এরকম সরকার পেয়েছেন। নিজেরা যাচ্ছেন আসছেন সমালোচনা করছেন কথা বলছেন। এজন্য গণতান্ত্রিক অধিকারটা যেমন ভোগ করছেন তেমনি গণতান্ত্রিক পরিবেশ টা বজায় রাখুন। বিনা কারণে উৎপাত করবেন না।
অভিষেকের ভয়েস স্যাম্পেল
আইনের আওতা এসেছেন আপনি যদি কোন অন্যায় না করে থাকেন তাহলে আপনাকে তো কেউ ছুঁতে পারবেনা। কিন্তু আইনের সামনে তো আপনাকে আসতে হবে। উনি তো অন্য মামলায় জিজ্ঞাসাবাদে গেছেন। ভয় পাচ্ছেন কেন?

আরও পড়ুন: Baruipur Encounter: বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ-খুনে এনকাউন্টার! পুলিশের গুলিতে মৃত্যু প্রভাস মণ্ডলের
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিল।
মোল্লার দৌড় মসজিদের পর্যন্ত। ওই হাজড়া মোড়েই উনি ঘোরাঘুরি করবেন। আগেও কোথাও যাননি এখনো কোথাও যাবেন না। আপনি নিজেকে বিরোধী নেত্রী মনে করেন কিন্তু আপনার পার্টিত বিরোধী নেত্রী মানছে না। ওখানে চারজন মিলে হাঁটাহাঁটি করে ছবি আসতে পারে আর বেশ কিছু হবে না।
সুজন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অভিযোগ বারুইপুরে
এর আগেও কম্যুনিস্টরা এইসব করেছে এখনো তাই করে যাচ্ছে। সেই জন্য মানুষ তাদের বিচ্ছিন্ন করেছে। কোন একটা ঘটনা ঘটেছে দুঃখজনক নিন্দা জনক। কিন্তু ভাবুন তো গত ৫০ বছরে কোন সরকার 24 ঘন্টার মধ্যে সমস্ত অপরাধীদের ধরে নিয়ে সামনে এনেছে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে ওখানে গিয়ে পীড়িত পরিবার থেকে শুরু করে আন্দোলনকারী সবার সঙ্গে কথা বলেছে। এটাই একজন নেতার হওয়া উচিত তো সমাজে শান্তি আনার জন্য।
এতদিন ধরে সমাজ বিরোধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে একদিনে তো আর পাল্টে যাবে না! ৬ মাস সময় দেবেন না উৎপাত করছেন আপনারা! ভরসা রাখুন ধীরে ধীরে সরকার সব ব্যবস্থা টাইপ করবে যাতে এই ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে না হয়।
আরও পড়ুন: Chandan Sen: ঐতিহ্য রক্ষার আর্জি নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতির সঙ্গে বৈঠক করতে চান নাট্যকার চন্দন সেন
আর্জেন্টিনার কাম ব্যাক!
এবারের বিশ্বকাপে পুরনো হিরোরাই আবার হিরো। ৪০/ ৪১ বছরের ফুটবলার তারাই এখন হিরো। আগামী পাঁচ বছরে জানিনা নতুন কোন হিরো দেখতে পাবো কিনা। বিশ্বকাপ থেকে নতুন তারকা উঠে আসে নেইমার দের মত। কিন্তু এবারে হালান্ড ছাড়া নতুন কোন মুখ দেখতে পাচ্ছি না। এটা বিশ্ব ফুটবলে একটা চিন্তার বিষয়।


