Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েক দিন আগেই দাবি করেছিলেন (Donald Trump), চলতি বছরের শেষের দিকে ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি অনেকটা কমিয়ে দেবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাকি তাঁকে এই বিষয়ে সরাসরি আশ্বাস দিয়েছেন। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পরই প্রকাশ্যে আসে ভারতের তেল পরিশোধন সংস্থাগুলির সিদ্ধান্ত সাময়িকভাবে রুশ তেল কেনা বন্ধ।
ওয়াশিংটনের কঠোর পদক্ষেপ (Donald Trump)
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার প্রধান দুই তেল সংস্থা লুকঅয়েল ’ ও ‘রসনেফ্ট ’-এর বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। এর ফলে রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানিতে আরও চাপ তৈরি হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আগের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক বাজারে রুশ তেলের ভবিষ্যৎকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
আপাতত ‘স্পট মার্কেট’-এর দিকে ঝোঁক (Donald Trump)
রুশ তেল কেনা বন্ধ হলেও, তাৎক্ষণিক চাহিদা মেটাতে ভারতীয় পরিশোধন সংস্থাগুলি বিকল্প পথে এগোচ্ছে। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (IOC) ইতিমধ্যেই নতুন তেল আমদানির টেন্ডার ডেকেছে। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ স্পট মার্কেট থেকে তেল কেনা বাড়িয়েছে। এই বাজারে দ্রুত সরবরাহ পাওয়া যায়, যদিও দাম তুলনামূলক বেশি।
সব আন্তর্জাতিক নিয়ম মানা হবে
২০২২ সাল থেকে রিলায়েন্সই ছিল ভারতের সবচেয়ে বড় রুশ তেল ক্রেতা। কিন্তু এখন সংস্থাটি জানাচ্ছে, তারা সব আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা মেনে চলবে এবং প্রয়োজনে বিকল্প সরবরাহকারীর কাছ থেকে তেল সংগ্রহ করবে। আপাতত রসনেফ্ট থেকে তেল আমদানি বন্ধ রেখেছে তারা।
রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যে ধাক্কা (Donald Trump)
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (IEA)-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম ৯ মাসে ভারত দৈনিক গড়ে ১৯ লক্ষ ব্যারেল রুশ তেল আমদানি করেছে, যা রাশিয়ার মোট রপ্তানির প্রায় ৪০ শতাংশ। তবে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে রুশ তেল আমদানি ৮.৪ শতাংশ কমেছে, এবং ভারত ক্রমশ মধ্যপ্রাচ্য ও আমেরিকার দিকে ঝুঁকছে।
আরও পড়ুন: Cyclone Mantha Update: তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘মান্থা! অন্ধ্রের ঝড়ে কি কাঁপবে উত্তরবঙ্গও?
মার্কিন শুল্কের চাপ ও সম্ভাব্য ছাড়
ট্রাম্প প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়েছিল, রুশ তেল কেনা অব্যাহত থাকলে ভারতকে অতিরিক্ত শুল্কের মুখে পড়তে হবে। বর্তমানে ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসানো হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, এই শুল্ক কমে প্রায় ১৫–১৬ শতাংশে নামতে পারে, যা ভারতীয় রপ্তানিকারকদের জন্য বড় স্বস্তির খবর।



