Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল:প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ জাপান ফের একবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল (Earthquake Japan)। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৭। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৪৪ মিনিটের দিকে উত্তর আওমোরি প্রিফেকচার অঞ্চলের প্রায় ২০ কিলোমিটার গভীরে এই ভূমিকম্পের উৎস সনাক্ত করেছে জাপান মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সি। আচমকা কম্পনে রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন শহর ও উপকূলবর্তী এলাকায়।

ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান (Earthquake Japan)
প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ জাপান ফের একবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৭। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৪৪ মিনিটের দিকে উত্তর আওমোরি প্রিফেকচার অঞ্চলের প্রায় ২০ কিলোমিটার গভীরে এই ভূমিকম্পের উৎস সনাক্ত করেছে জাপান মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সি। আচমকা কম্পনে রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন শহর ও উপকূলবর্তী এলাকায়।

ক্ষয়ক্ষতি এখনও নির্দিষ্ট নয় (Earthquake Japan)
এই শক্তিশালী ভূমিকম্পে ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল পরিদর্শন শুরু করেছে। ভবন, সড়ক ব্যবস্থা কিংবা যোগাযোগ পরিকাঠামোর উপর বড়সড় প্রভাব পড়েছে কি না, তার সম্পূর্ণ রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায়নি। তবে ভূমিকম্পের তীব্রতা বিবেচনা করে বিপর্যয় মোকাবিলা দলগুলি আগে থেকেই প্রস্তুত।
সরানো হল ৬ হাজার মানুষ (Earthquake Japan)
ভূমিকম্পের পরপরই জাপান জুড়ে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিশেষত আওমোরি প্রিফেকচারের উপকূল বরাবর একাধিক সংবেদনশীল এলাকা থেকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রায় ৬ হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে গেছে প্রশাসন। সমুদ্রের নিকটবর্তী অঞ্চলে নজরদারি আরও কঠোর করা হয়েছে। জাপানে ভূমিকম্পের সঙ্গে সুনামির আশঙ্কা দীর্ঘদিনের বাস্তবতা। ফলে মানুষও অভ্যস্ত দ্রুত সরে যেতে এবং নিরাপত্তা নির্দেশিকা মানতে।

এক সপ্তাহে দ্বিতীয় বড় কম্পন (Earthquake Japan)
গত সোমবারও জাপানের উত্তরাঞ্চলে ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। সেই কম্পনে অন্তত ৩৪ জন মানুষ আহত হন। তার মাত্র কয়েকদিনের মাথায় ফের শক্তিশালী কম্পনে দেশজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মতে, জাপান প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অফ ফায়ার’-এর ওপর অবস্থান করায় এই অঞ্চল ভূমিকম্প প্রবণ। পৃথিবীর ভূ-প্লেটের সংঘর্ষ এখানে অত্যন্ত ঘন ঘন হয়, যার জেরে বারবার বড় কম্পন দেখা দেয়।
আরও পড়ুন: South Kolkata Fire: গভীর রাতে দক্ষিণ কলকাতার বিধ্বংসী আগুন
আশঙ্কা
জাপানের প্রশাসন এবং উদ্ধারকারী দল পূর্ণ সতর্কতায় রয়েছে। স্থানীয় মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরানোর পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যবস্থা ও জরুরি পরিষেবাগুলি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর ক্রমাগত সমুদ্রের জলস্তর পর্যবেক্ষণ করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বড়সড় আফটারশকের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই নাগরিকদের ঘর থেকে অপ্রয়োজনীয় বের না হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



