Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: হুগলির চুঁচুড়া তিন নম্বর গেট সংলগ্ন বিজেপি জেলা কার্যালয়ের সামনে থেকে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে শঙ্খনাদ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয় (Election 2026)। নির্ধারিত সময়ের কিছুটা পরে শোভাযাত্রা শুরু হওয়ায় শুরুতেই অসন্তোষের সুর শোনা যায় দলের অন্দরে। দলীয় সূত্রের খবর, এই বিলম্বে ক্ষুব্ধ হন কেন্দ্রীয় প্রাক্তন মন্ত্রী Smriti Irani।

জেলা সভাপতির অনুপস্থিতি ঘিরে জল্পনা (Election 2026)
শোভাযাত্রার সূচনায় সবচেয়ে বড় চমক ছিল হুগলি সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে জেলা সভাপতির অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। দলীয় ঐক্য ও সমন্বয় নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
অর্ধেক পথেই ফিরলেন স্মৃতি ইরানি (Election 2026)
প্রচণ্ড গরমের মধ্যেই শোভাযাত্রা শুরু হলেও তা আর শেষ পর্যন্ত এগোয়নি। মাঝপথ থেকেই হঠাৎ ফিরে যান স্মৃতি ইরানি। তাঁর এই আকস্মিক প্রস্থান কর্মীদের মধ্যে হতাশার সঞ্চার করে। অনেকেই আশা করেছিলেন, তিনি পুরো শোভাযাত্রায় অংশ নেবেন এবং কর্মীদের উৎসাহিত করবেন।
ঘড়ির মোড়ে সভা ভেস্তে গেল (Election 2026)
ঘড়ির মোড়ে সকাল থেকেই প্রচার চলছিল—স্মৃতি ইরানি সেখানে সভা করবেন। কিন্তু তিনি উপস্থিত হলেও কোনো সভা না করেই ফিরে যাওয়ায় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা আরও বাড়ে। প্রত্যাশা ও বাস্তবের এই ফারাক দলীয় কর্মীদের মনোবলে প্রভাব ফেলেছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

প্রার্থীর ব্যাখ্যা, কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে (Election 2026)
বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগ জানিয়েছেন, স্মৃতি ইরানির অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি থাকায় তিনি মাঝপথে ফিরে যান। তবে এই ব্যাখ্যা পুরোপুরি সন্তোষজনক নয় বলেই মনে করছেন অনেকেই। কারণ আগে থেকেই তাঁর সভার প্রচার চলছিল।
অন্নপূর্ণা ভান্ডারের সূচনা স্মৃতি ছাড়া (Election 2026)
এই কর্মসূচিতে ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’-এর সূচনা করার কথা ছিল স্মৃতি ইরানির। কিন্তু তাঁর অনুপস্থিতিতে সেই সূচনা করেন প্রার্থী সুবীর নাগ নিজেই। পাশাপাশি বিজেপির পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয় দল ক্ষমতায় এলে মহিলাদের প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: Badminton Ayush Shetty: রূপোয় থামতে হল আয়ুষকে!
ভোটের মুখে বিজেপির অন্দরে দ্বন্দ্বের ইঙ্গিত?
পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে বিজেপির অন্দরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন অনেকে। গুরুত্বপূর্ণ নেতা-নেত্রীদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং কর্মসূচির বিশৃঙ্খলা আগামী নির্বাচনে দলের উপর কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে।



