Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ছাব্বিশের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ডঙ্কা বাজার আগেই সাধারণ মানুষের মনে বড় প্রশ্ন— ভোটার তালিকায় নাম থাকবে তো? এই উৎকণ্ঠার মাঝেই ভোটার তালিকা সংশোধন বা ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (SIR) প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ আপডেট সামনে এল। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হতে চলেছে রাজ্যের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (Final Voter List)।
স্বস্তিতে কারা? (Final Voter List)
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, যাঁদের নাম খসড়া ভোটার তালিকায় (Draft Roll) ছিল এবং যাঁদের বাড়িতে কোনো প্রকার শুনানির নোটিস (Hearing Notice) যায়নি, তাঁদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। এই ভোটারদের নাম কোনও অতিরিক্ত প্রক্রিয়া ছাড়াই সরাসরি চূড়ান্ত তালিকায় (Final Voter List) অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। তবে সতর্কতা হিসেবে স্থানীয় বিডিও (BDO) বা পঞ্চায়েত অফিসে টাঙানো ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ (Logical Discrepancy) বা যুক্তিসঙ্গত অসঙ্গতি তালিকাটি একবার দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন:Mamata Banerjee: এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্টে হাজির হতে পারেন মমতা!
যাঁদের তথ্যে অমিল ধরা পড়েছিল এবং যাঁদের কাছে শুনানির নোটিস পৌঁছেছিল, তাঁদের জন্য কমিশনের নির্দেশ ছিল অত্যন্ত কড়া। শুনানিতে হাজির হয়ে নির্দিষ্ট ১৩ ধরনের বৈধ নথির মধ্যে যেকোনও একটি পরিচয়পত্র হিসেবে জমা দিতে হয়েছে। মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড বা সমতুল্য নথি জমা দিলে নাম চূড়ান্ত তালিকায় (Final Voter List) থাকার সম্ভাবনা প্রবল।
তবে বিপাকে পড়তে পারেন সেই সব ভোটাররা, যাঁরা শুনানিতে উপস্থিত থেকেও নির্ধারিত তালিকার বাইরের কোনও কাগজপত্র দেখিয়েছেন। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্দিষ্ট তালিকার বাইরে কোনও নথই গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে সঠিক প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে ভোটার তালিকা (Final Voter List) থেকে নাম বাদ পড়ার বড় ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।
আরও পড়ুন:Mamata Banerjee: ‘বাংলাকেই টার্গেট করা হচ্ছে’-এসআইআর নিয়ে বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
পুরো প্রক্রিয়াটিতে কমিশন বিশেষ ক্ষিপ্রতা দেখিয়েছে। ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নোটিস তৈরি, ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তা বিলি এবং ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সমস্ত নথি পোর্টালে আপলোড করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নোটিস ইস্যু করার সাত দিনের মধ্যেই শুনানি পর্ব মিটিয়ে ফেলা হয়েছে।


