Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দুর্গাপুজোকে ঘিরে কলকাতা ও শহরতলিতে যখন উৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে, তখনই হাসপাতালগুলির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও একবার খতিয়ে দেখল দমকল বিভাগ (Fire Safety)। পুজোর সময়ে বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগী এবং তাঁদের পরিজনদের ভিড় স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। সেই পরিস্থিতিতে কোনও অগ্নিকাণ্ড বা জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত তা মোকাবিলা করা সম্ভব কি না, তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ পরিদর্শন।
পুজোর আগে বাড়তি সতর্কতা (Fire Safety)
শনিবার সকাল ১১টা নাগাদ শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল—বিএম বিড়লা, কোঠারি এবং সিএমআরআই-তে পৌঁছন দমকল আধিকারিকরা। হাসপাতালগুলিতে অগ্নিনিরাপত্তা সংক্রান্ত পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখা হয়। বিশেষ করে পুজোর সময়ে অতিরিক্ত ভিড়ের কথা মাথায় রেখে জরুরি পরিস্থিতিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কতটা দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবেন, সেদিকেই নজর ছিল।
কী কী খতিয়ে দেখল দমকল? (Fire Safety)
পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের ফায়ার সেফটি সিস্টেম, অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম এবং জরুরি বহির্গমনের ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হয়। আগুন লাগলে হাসপাতালের বিভিন্ন অংশ থেকে রোগী, তাঁদের পরিজন এবং কর্মীদের নিরাপদে বের করে আনার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, সেই বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডের প্রাথমিক পর্যায়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে কি না, তাও দেখা হয়।
রোগীদের নিরাপত্তাই মূল লক্ষ্য (Fire Safety)
হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সাধারণ কোনও ভবনের তুলনায় আরও জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। কারণ সেখানে এমন বহু রোগী থাকেন, যাঁদের নিজেদের পক্ষে দ্রুত নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়া সম্ভব নয়। ফলে হাসপাতালের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি কর্মীদের প্রস্তুতি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সমন্বয়ের বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন:Cyber Crime: নিউটাউনে আন্তর্জাতিক ফেক কল সেন্টারের হদিস, গ্রেফতার ২৪
উৎসবের মরশুমে নজরদারি আরও বাড়ানোর বার্তা
দুর্গাপুজোর আগে শহরের গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালগুলিতে দমকলের এই পরিদর্শনকে সেই বৃহত্তর নিরাপত্তা প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। উৎসবের দিনগুলিতে হাসপাতালগুলিতে পরিষেবা যাতে নির্বিঘ্নে চলতে পারে এবং কোনও অনভিপ্রেত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, সেই লক্ষ্যেই অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।



