Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেবযানী সরকার: দিল্লিতে ইন্ডিয়া ব্লকের বৈঠকের পর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে আরও তীব্র হল রাজনৈতিক বিতর্ক (Gyanesh Kumar)। বৈঠকের পর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করা উচিত। তবে একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, এই অভিযোগ বা বক্তব্য তাঁর একার নয়। নির্বাচন কমিশনের বাকি দুই কমিশনারও একই ধরনের বিষয়ে আপত্তি তুলেছেন বলে তাঁর বক্তব্য।
‘রাজনৈতিক দল নয়, কমিশনাররাই প্রশ্ন তুলছেন’ (Gyanesh Kumar)
অভিষেকের বক্তব্যের মূল কেন্দ্রবিন্দু নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য। তাঁর দাবি, এতদিন ভোটার তালিকা, এসআইআর এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলি প্রশ্ন তুলছিল। কিন্তু এখন নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যই যদি বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানিয়ে থাকেন, তাহলে বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী গত কয়েক মাসে এসআইআর-সংক্রান্ত একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন।
বাংলায় অনিয়মের মাত্রা নিয়ে অভিযোগ (Gyanesh Kumar)
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়মের প্রশ্ন সর্বত্র উঠলেও পশ্চিমবঙ্গে তার মাত্রা আরও বেশি। বিশেষ করে ভোটার তালিকা সংশোধন এবং এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে বাংলায় যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেটিকেই সামনে আনছেন তিনি। বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় বহু বৈধ ভোটারের নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার সরকারি তথ্যও বিবেচনায় রাখা জরুরি।
ইন্ডিয়া ব্লকের বৈঠকে যৌথ আন্দোলনের রূপরেখা (Gyanesh Kumar)
৩০ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে মূল আলোচনার বিষয় ছিল নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, এসআইআর এবং ভোটার তালিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগ। বিরোধী দলগুলি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেছে। বৈঠকের পর ২ থেকে ৮ অক্টোবর দেশজুড়ে কর্মসূচি এবং ৬ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের দফতর পর্যন্ত মিছিলের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: Delhi Temperature Drop: বৃষ্টি-মেঘে কমল পারদ, দিল্লিতে ২১°! শীত কী এবার আগেই?
অভিযোগ থেকে আইনি পদক্ষেপের দাবিতে
ফলে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের আক্রমণ এখন শুধুমাত্র রাজনৈতিক বক্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। গ্রেফতার, পদত্যাগ এবং সাংবিধানিক পদক্ষেপ—একাধিক দাবি সামনে আসছে। অন্যদিকে, এসব অভিযোগের সত্যতা ও আইনি পরিণতি নির্ধারণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট তদন্ত, প্রমাণ এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার ওপরই নির্ভর করবে।



