Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারত সরকার বিশ্ববাজারে তেলের অস্থিরতার মধ্যে রিফাইনারি মার্জিন স্থিতিশীল রাখা ও রফতানি প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে ডিজেল ও এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (ATF)-এর ওপর রফতানি শুল্ক কমিয়েছে(India Fuel)। তবে দেশের ভেতরে জ্বালানির কর কাঠামো অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
কমল ডিজেলের রফতানি শুল্ক (India Fuel)
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেলের রফতানি শুল্ক লিটার প্রতি ৫৫.৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৩ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে ATF-এর শুল্ক ৪২ টাকা থেকে কমিয়ে ৩৩ টাকা করা হয়েছে। পেট্রলের রফতানি শুল্ক আগের মতোই শূন্য রয়েছে।
বাজারজুড়ে প্রবল ওঠাপড়া
এই পদক্ষেপ এমন সময়ে নেওয়া হল, যখন পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত, বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালীর অনিশ্চয়তা বিশ্বের তেলবাজারকে প্রভাবিত করছে। পাশাপাশি রাশিয়া, পশ্চিম এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার পরিবর্তিত সরবরাহ ব্যবস্থাও বাজারে ওঠাপড়া তৈরি করছে।
রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের প্রিমিয়াম কমেছে
রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের প্রিমিয়াম কমে ব্যারেল প্রতি ৫ ডলারের নিচে নেমেছে, যা এক মাস আগে ১০ ডলারেরও বেশি ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে রাশিয়ার তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করায় বিশ্ববাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য হয়েছে।
পশ্চিম এশিয়ার তেল বেঞ্চমার্ক কিছুটা স্থিতিশীল
পশ্চিম এশিয়ার তেল বেঞ্চমার্কও এখন কিছুটা স্থিতিশীল। প্ল্যাটস দুবাই/ওমান সূচক, যা ভারতের অর্ধেকের বেশি আমদানির মূল্য নির্ধারণ করে, তা সম্প্রতি ১৪৫–১৬০ ডলার থেকে কমে ব্রেন্ট ক্রুডের কাছাকাছি নেমে এসেছে।
তেল আমদানির উৎস বদলাচ্ছে ভারত (India Fuel)
ভারত এখন তেল আমদানির উৎস পাল্টাচ্ছে। আগে যেখানে পশ্চিম এশিয়া থেকে দৈনিক প্রায় ৩০ লাখ ব্যারেল তেল আসত, তা কমে ১২ লাখ ব্যারেলে নেমেছে। এর বদলে রাশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকা থেকে আমদানি বাড়ানো হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর OPEC থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে বিশ্বের সরবরাহ বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন: Tollywood Vote: প্রত্যাবর্তন না পরিবর্তন? ভোটের হাওয়ায় টলিউডের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
ডিজেল রফতানি বৃদ্ধি ভারতীয় রিফাইনারিগুলির (India Fuel)
উচ্চ মার্জিনের সুযোগে ভারতীয় রিফাইনারিগুলো ডিজেল রফতানি বাড়িয়েছে। মার্চ মাসে ডিজেল রফতানি ২০ শতাংশ বেড়েছে। তবে ATF এখনও বিমান সংস্থাগুলোর জন্য বড় খরচ, যা মোট অপারেটিং খরচের প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।



