Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত ও চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রবল টানাপোড়েন তৈরি হয়। তবে সম্প্রতি চিনের নয়া দিল্লি দূতাবাস নিজস্ব ওয়েবসাইটে একটি অভ্যন্তরীণ প্রবন্ধ পুনর্মুদ্রণ করে এক নজিরবিহীন কূটনৈতিক কৌশল অবলম্বন করেছে(Indo China)।
উক্ত নিবন্ধটি সাংহাইয়ের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ‘দ্য পেপার’-এ প্রকাশিত হয়েছিল, যার মূল বার্তা ছিল কয়েকজন ব্যক্তির কাজের ওপর ভিত্তি করে পুরো ভারতের প্রতি ঘৃণা ছড়ানো অনুচিত। একই সঙ্গে উগ্র জাতীয়তাবাদী প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষোভ ও দূতাবাসের চ্যালেঞ্জ (Indo China)
চিনা দূতাবাসের এই পদক্ষেপে সে দেশের সাধারণ নেটিজেনরা প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন। উইবোর মতো প্ল্যাটফর্মে অনেকেই রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং-এর কঠোর সমালোচনা করে তাঁকে ঝাড়ুদার হিসেবে কাজ করার ব্যঙ্গাত্মক পরামর্শ দেন।
আরও পড়ুন: NEET CJP BJP: নিট বিতর্ক: তিন দাবি সিজেপির, সরকারকে ডেডলাইন ককরোচদের
এর পিছনে মূল কারণ কী? (Indo China)
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ রবার্ট পুটনামের ‘টু-লেভেল গেম’ তত্ত্বের মত, বেজিং একসঙ্গে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক দুই টেবিলেই ভারসাম্য রাখতে চাইছে। নিজেদের রচিত বিবৃতি দেওয়ার বদলে দেশের ভিতরের নিবন্ধ প্রকাশ করার পেছনে বেশ কিছু বার্তা রয়েছে:
অভ্যন্তরীণ বার্তা: চিনা নেটিজেনদের উগ্র জাতীয়তাবাদ থেকে বিরত থাকার আহ্বান।
আন্তর্জাতিক বার্তা: ভারতবাসীকে দেখানো যে চিনে ভারতবিরোধী মনোভাবই শেষ কথা নয়।
নীতিনির্ধারকদের ওপর চাপ: ভিসার সুবিধাগুলি তুলে ধরে নয়াদিল্লিকে বোঝানো যে এবার সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতি ভারতের ওপর নির্ভর করছে।



