Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পাকিস্তান ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (FIA) একটি অভিযানে রাজধানী ইসলামাবাদের গুলবার্গ গ্রিন্স এলাকা থেকে ২৫৮ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে(Islamabad Arrest)। এদের বিরুদ্ধে একটি অবৈধ কল সেন্টার চালিয়ে কোটি কোটি টাকার জাল বিনিয়োগ চক্র পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থা গুলবার্গ গ্রিন্সের স্পার্কো প্লাজায় (Sparco Plaza) অভিযান চালায়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮৪ জন ভিয়েতনামী, ৪১ জন চীনা, ৩২ জন ইন্দোনেশীয় এবং ১ জন মালয়েশিয়ার নাগরিক রয়েছেন। তারা সবাই পর্যটন ভিসায় পাকিস্তানে প্রবেশ করেছিলেন।
যেভাবে চলত এই প্রতারণা (Islamabad Arrest)
এফআইএ পরিচালক উসমান আনোয়ার জানিয়েছেন, চক্রটি সুপরিকল্পিতভাবে অনলাইনে ফাঁদ পেতেছিল:
ভুয়া পরিচয়: আন্তর্জাতিক প্রতারকরা মেসেজিং অ্যাপ ও ডেটিং প্ল্যাটফর্মে নিজেদের নারী পরিচয় দিয়ে পাকিস্তানি নাগরিকদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করত।
বিশ্বাস অর্জন: প্রথম ধাপে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে তারা ভুক্তভোগীদের আস্থা অর্জন করত।
বিনিয়োগের প্রলোভন: আস্থা অর্জনের পর অবাস্তব ও অতিরিক্ত মুনাফার লোভ দেখিয়ে জাল ব্যবসায় বিনিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হতো।
অর্থ লোপাট: ভুক্তভোগীরা টাকা পাঠামাত্রই তাদের সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে কেটে পড়ত এই চক্রটি।
বিশেষ পদক্ষেপ ও আইনি ব্যবস্থা (Islamabad Arrest)
এফআইএ-এর অ্যান্টি-হিউম্যান ট্রাফিকিং সার্কেল ১৯৪৬ সালের ‘ফরেনার্স অ্যাক্ট’-এর ১৪ নম্বর ধারায় একটি প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (FIR) দায়ের করেছে। সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার (IBMS) সাহায্যে তদন্তকারীরা নিশ্চিত করেছেন যে, আসামিরা তাদের পর্যটন ভিসার শর্ত ভেঙে বেআইনি এই কার্যক্রম চালাচ্ছিল।
আরও পড়ুন: Lakshmanan Meyyappan: ১৬ বছর বয়সেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম: জানুন লক্ষ্মণন মৈয়াপ্পনের গল্প
আটককৃতদের বিপুল সংখ্যার কারণে স্থান সংকট তৈরি হওয়ায়, ইসলামাবাদ ক্যাপিটাল টেরিটরির চিফ কমিশনার এক অভূতপূর্ব আদেশ জারি করেছেন। আদেশে স্পার্কো প্লাজাকেই সাময়িকভাবে একটি ‘সাব-জেল’ বা বন্দিশালা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে(Islamabad Arrest)। বর্তমান সুবিধা এবং নিরাপত্তার পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এফআইএ-কে। আটককৃতদের নিজ নিজ দূতাবাসকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং পুরো আন্তর্জাতিক প্রতারণা চক্রের মূল হোতাদের খোঁজে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।



