Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেশের শীর্ষ ছ’টি আইটি সংস্থার ত্রৈমাসিক আয় বৃদ্ধির হার ১ শতাংশ থেকে ৪ শতাংশের মধ্যে থাকতে পরেই বলে মনে করলছেন বিশেষজ্ঞরা (IT)।
আয় বাড়তে পারে আইটি সংস্থাগুলির (IT)
২০২৫-২০২৬ সালের আর্থিক বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে চাহিদা বাড়তে পারে ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের। ডিসক্রিশনারি খরচের উপর চাপ থাকায় বৃদ্ধির পথ খুঁজতে সংস্থাগুলিকে খরচ কমানো এবং দক্ষতা বাড়ানোর কৌশলের উপরে নির্ভরতা বেড়েছে। এর ধাক্কা লাগতে চলেছে সংস্থাগুলির ফিনানশিয়াল রিপোর্টে (IT)।
দেশের অন্যতম এক শীর্ষ ব্রোকারেজ সংস্থার মতে, ‘দেশের শীর্ষ ছ’টি আইটি সংস্থার ত্রৈমাসিক আয় বৃদ্ধির হার ১ শতাংশ থেকে ৪ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে। যদিও বার্ষিক ভিত্তিতে কিছুটা উন্নতি দেখা যেতে পারে। অক্টোবর-ডিসেম্বর ত্রৈমাসিকে আয় দুর্বল হয় সাধারণত। কারণ এই সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে ছুটি থাকার প্রভাব পড়ে।’
ফলাফলের দুর্বলতা থাকলেও আইটি সংস্থাগুলি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI সংক্রান্ত কী লগ্নি করছে বা কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সেই দিকে নজর থাকবে লগ্নিকারীদের মধ্যে। AI-নির্ভর চাহিদা আদৌ স্থায়ী আয়ের রূপ নিচ্ছে কি না, সেটাও নজরে থাকবে। AI সংক্রান্ত প্রকল্পনার কথাও জানাতে চাইবেন লগ্নিকারীরা। ইতিমধ্যেই টিসিএস দুটি অধিগ্রহণের কথা ঘোষণা করেছে এবং ডেটা সেন্টার ব্যবসায় প্রবেশ করেছে। উইপ্রো হারমানের DTS ব্যবসা অধিগ্রহণ করেছে (IT)।

একটি রিসার্চ রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘OpenAI এবং Claude-এর মতো শীর্ষ Large Language Model সংস্থাগুলি সিস্টেম ইন্টিগ্রেটরদের সঙ্গে গঠনমূলক পার্টনারশিপ শুরু করেছে। এর ফলে AI পরিষেবা স্তরটি ধীরে ধীরে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাচ্ছে। আগামী ছয় মাসে এই ক্ষেত্রের গতি বাড়বে এবং ২০২৬ ক্যালেন্ডার বছরে AI পরিষেবার চাহিদা স্পষ্টভাবে বাড়তে পারে।’
অন্য এক ব্রোকারেজ সংস্থা জানিয়েছে, ‘মার্কিন অর্থনীতিতে মন্দার আশঙ্কা, উচ্চ সুদের হার এবং দুর্বল চাকরির বাজারের কারণে বহু সংস্থা আইটি খাতে ডিসক্রিশনারি খরচ পিছিয়ে দিচ্ছে।’ তিনি আরও জানান, ভিসা নীতি কড়া হলে FY27-এ আইটি পরিষেবা শিল্পের বৃদ্ধি ১ শতাংশ থেকে মাইনাস ১ শতাংশে নেমে আসতে পারে।
আরও পড়ুন: Bharat Coking Coal: আইপিও আনছে এই নতুন সংস্থা, ঘোষণা প্রাইস ব্র্যান্ডের
মুনাফার দিক থেকে রুপির অবমূল্যায়ন আইটি সংস্থাগুলির জন্য কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০২৫ সালে ডলারের তুলনায় রুপি প্রায় ৪.৭ শতাংশ দুর্বল হয়েছে এবং সম্প্রতি ছাড়িয়েছে ৯১ স্তর। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বেতন বৃদ্ধি এবং মার্জার ও অধিগ্রহণের খরচে সেই সুবিধার বড় অংশই না মিলতে পারে (IT)।
(শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ সংক্রান্ত কোনও মত আমাদের নেই, এই লেখাটা শুধু তথ্যের জন্য। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ একটি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়। এতে আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে তাই বিনিয়োগ করার আগে মার্কেট সম্পর্কে ভাল করে জেনে নেওয়া দরকার। তাছাড়াও বিনিয়োগের আগে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।)


