Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কেটিভি বাংলা ডিজিটাল : যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে (Jadavpur University SFI)। বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ভারতের ছাত্র ফেডারেশন (এসএফআই)-এর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় আঞ্চলিক কমিটি এক প্রেস বিবৃতিতে ক্যাম্পাসে বিজেপির রাজ্য সভাপতি, সরকারের মন্ত্রী ও অন্যান্য নেতাদের উপস্থিতি নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। সংগঠনের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে তাঁদের মিছিল করার কথাও শোনা যাচ্ছে। পাশাপাশি বেদমন্ত্র পাঠ এবং ‘বন্দেমাতরম’ গাওয়ার আয়োজন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
ঐতিহ্য ও বহুত্বের কথা স্মরণ করাল এসএফআই (Jadavpur University SFI)
এসএফআইয়ের বক্তব্য, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছর নিয়ম মেনেই বেদমন্ত্র পাঠ এবং বন্দেমাতরম গাওয়া হয়। তাই এই বিষয়গুলিকে কেন্দ্র করে কোনও নতুন রাজনৈতিক ব্যাখ্যা চাপিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সংগঠনের মতে, যাদবপুর এমন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যার ঐতিহ্য ও ব্যাপ্তি সমাজের সর্বস্তরে বিস্তৃত। দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজ বহুমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিয়ে এসেছে।
‘ক্যাম্পাস সবার জন্য উন্মুক্ত’, দাবি সংগঠনের (Jadavpur University SFI)
প্রেস বিবৃতিতে এসএফআই জানায়, তারা কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতের মানুষের ক্যাম্পাসে প্রবেশ আটকানোর পক্ষে নয়। বরং বিশ্ববিদ্যালয়কে সকলের জন্য উন্মুক্ত রাখার পক্ষেই তাদের অবস্থান। একইসঙ্গে সংগঠনের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে ক্যাম্পাসে ঢুকে হামলা, ছাত্রীদের উদ্দেশে কুরুচিকর আচরণ এবং বিভিন্ন মনীষী ও শিল্পীর উক্তি বা ছবি মুছে দেওয়ার মতো ঘটনারও তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে।
‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই’-এর ডাক (Jadavpur University SFI)
এসএফআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টোয় বিজয়গড় কলেজ থেকে এইট বি পর্যন্ত সংগঠনের জেলা কমিটির ডাকে একটি মহামিছিল হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে সেই মিছিলে যোগ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন : Darjeeling Loco Shed Collapse: টানা বৃষ্টিতে দার্জিলিংয়ে ভাঙল ঐতিহাসিক লোকোশেড, আহত ৮ রেলকর্মী
যাদবপুরকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক উত্তাপ
অভিনব বসু ও রাজেশ্বর মণ্ডল স্বাক্ষরিত এই বিবৃতিতে সংগঠনটি স্পষ্ট করেছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বহুত্ববাদী চরিত্র ও মতপ্রকাশের পরিসর বজায় রাখাই তাদের অন্যতম দাবি। তাঁদের বক্তব্য, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে পারলেই যাদবপুরসহ দেশের গণতান্ত্রিক পরিসরকে রক্ষা করা সম্ভব। ফলে আজকের কর্মসূচিকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে রাজনৈতিক উত্তেজনা কতটা বাড়ে, সেদিকেই নজর থাকবে।



