Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ঠিক একমাস বাদে যুবভারতীতে ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে ব্রাজিল (Brazil legend Cafu)। ভারতীয় ফুটবলের সাম্প্রতিক ইতিহাসে নিঃসন্দেহে এটাই সবচেয়ে বড় ম্যাচ। তবে সেই মেগা ম্যাচের আগেই বাংলার ফুটবলপ্রেমীদের জন্য রয়েছে বড় চমক। ফুটবলবিশ্বের অন্যতম আইকন, ব্রাজিলের ১৯৯৪ ও ২০০২ সালের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মারকোস ইভাঞ্জেলিসতা দে মোরায়েস— অর্থাৎ সকলের পরিচিত কাফু আগামী সপ্তাহেই একাধিক কর্মসূচি নিয়ে বাংলায় আসছেন।
পাহাড়ে ক্রীড়ার নতুন দিগন্ত (Brazil legend Cafu)
আগামী ৬ সেপ্টেম্বর দার্জিলিংয়ে আসার কথা ব্রাজিলের এই প্রাক্তন রাইট ব্যাঙ্কের। দার্জিলিং শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আর্য চা বাগানে প্রস্তাবিত ‘সিদ্রা হিলস স্পোর্টস অ্যান্ড ওয়েলনেস রিসোর্ট’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি। পাশাপাশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে পাহাড়ে তাঁর হাত দিয়েই আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে দুটি নতুন ফুটসল ক্লাব— দার্জিলিং ওয়ারিয়র্স এফসি ও নর্থবেঙ্গল ফাইটার্স এফসি। শুরুতে চা-বাগানের নিজস্ব মাঠে এই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা লেবংয়ের গোর্খা স্টেডিয়ামে স্থানান্তর করা হয়। দুই দলের একটি প্রদর্শনী ম্যাচও উপভোগ করবেন তিনি। ওই অনুষ্ঠানে রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক এবং শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী তাপস রায়ের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
কলকাতায় হাইপ্রোফাইল সাক্ষাৎ (Brazil legend Cafu)
শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, বাংলার রাজধানী কলকাতাতেও রয়েছে কাফুর গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি। আগামী সোমবার বিএনসিসিআই-তে ভারতীয় ফুটবলের আগামী দিনের রোডম্যাপ এবং ফুটবল বাণিজ্য শীর্ষক একটি বিশেষ আলোচনা চক্রে অংশ নেবেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ স্তরেও তাঁর সাক্ষাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে তাঁর হাতে বিশেষ জার্সিও তুলে দিতে পারেন এই ব্রাজিলিয় কিংবদন্তি।
আরও পড়ুন: Team India: বিশ্বকাপের জন্য বিরাটদের নিয়ে বড় পরিকল্পনা বিসিসিআইয়ের
কাফুর বর্ণময় কেরিয়ার (Brazil legend Cafu)
কাফু ব্রাজিলিয় ফুটবলের সর্বকালের সেরা ডিফেন্ডারদের একজন (Brazil legend Cafu)। ১৯৯৪ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপের মঞ্চে পা রাখা কাফু ২০০৬ সাল পর্যন্ত টানা চারটি বিশ্বকাপ খেলেছেন। ১৯৯৪ ও ২০০২— দুই বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি জয়ের স্বাদ পাওয়া এই ফুটবলারের মুকুটে রয়েছে এক অনন্য রেকর্ড। তিনিই একমাত্র খেলোয়াড় যিনি টানা তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনালে (১৯৯৪, ১৯৯৮ ও ২০০২) খেলার গৌরব অর্জন করেছেন।



