Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সোমবার ভোরে ফের কেঁপে উঠল জাপান। উত্তর জাপানের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অনুভূত হল শক্তিশালী ভূমিকম্পের কম্পন, যার মাত্রা ছিল ৬.২ (Japan Earthquake)। যদিও কম্পনের তীব্রতা যথেষ্ট ছিল, তবুও এখনও পর্যন্ত কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর সামনে আসেনি যা স্বস্তির খবর।

কোথায় এবং কতটা শক্তিশালী ছিল কম্পন? (Japan Earthquake)
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক সংস্থা United States Geological Survey (USGS)-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল হোক্কাইডো দ্বীপের সারাবেৎসু শহরের প্রায় ১৮ কিলোমিটার পশ্চিমে। ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৮১ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পন সৃষ্টি হয়। এত গভীরে ভূমিকম্প হওয়ার কারণে স্থলভাগে এর ধ্বংসাত্মক প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম ছিল বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
সুনামির আশঙ্কা নেই, তবুও সতর্ক প্রশাসন (Japan Earthquake)
জাপানের আবহাওয়া সংস্থা Japan Meteorological Agency (JMA) জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের পর কোনও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। ফলে উপকূলবর্তী অঞ্চলে তাৎক্ষণিক বড় বিপদের আশঙ্কা নেই। তবে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত নয়। কারণ, সাম্প্রতিক ভূমিকম্পগুলোর প্রেক্ষিতে প্রশাসন সম্ভাব্য আফটারশক বা পরবর্তী বিপদের দিকেও নজর রাখছে।

এক সপ্তাহ আগের বড় কম্পনের প্রভাব (Japan Earthquake)
মাত্র এক সপ্তাহ আগেই জাপানে ৭.৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই উত্তর-পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চলে “মেগা-কোয়েক” বা মহাভূমিকম্পের সম্ভাবনা কিছুটা বেড়েছে বলে সতর্কবার্তা জারি করা হয়। এই প্রেক্ষাপটে সোমবারের ভূমিকম্প নতুন করে উদ্বেগ বাড়ালেও, বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হওয়ায় আপাতত স্বস্তি মিলেছে।
উপকূলীয় এলাকায় সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ (Japan Earthquake)
সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম NHK-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ওৎসুচি ও কামাইশি-সহ বেশ কয়েকটি বন্দর শহরে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। টেলিভিশনে প্রচারিত দৃশ্যে দেখা যায়, “সুনামি! সরে যান!” সতর্কবার্তা জারি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাচিনোহে বন্দর থেকে দ্রুত জাহাজ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Noapara Blast: শেষ দফা ভোটের আগে উত্তেজনা, বোমা বিস্ফোরণে কাঁপল নোয়াপাড়া!
সুনামির সম্ভাব্য বিপদ কতটা ভয়ঙ্কর?
Japan Meteorological Agency-এর মতে, যদি ৩ মিটার উচ্চতার সুনামি তৈরি হয়, তবে তা— নিচু উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত করতে পারে, বাড়িঘর ও অবকাঠামোর মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে, খোলা জায়গায় থাকা মানুষদের প্রবল স্রোতে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে, এই কারণেই আগাম সতর্কতা ও সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।



