Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতে প্রথমবার উদ্ধার হল ক্যাপটাগন নামে পরিচিত এক ধরনের সিন্থেটিক মাদক, যাকে অনেক সময় ‘জিহাদি ড্রাগ’ বলা হয়(Jihadi Drug)।
‘অপারেশন রেজপিল’ (Jihadi Drug)
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, ‘অপারেশন রেজপিল’ নামে বিশেষ অভিযানে দিল্লি ও গুজরাট থেকে প্রায় ২২৭.৭ কেজি ক্যাপটাগন বাজেয়াপ্ত করেছে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (NCB)। উদ্ধার হওয়া মাদকের বাজারমূল্য প্রায় ১৮২ কোটি টাকা।
দিল্লি ও গুজরাটে উদ্ধার
অভিযানে দিল্লির নেব সারাই এলাকার একটি বাড়ি এবং গুজরাটের মুন্দ্রা বন্দর থেকে ট্যাবলেট ও পাউডার আকারে এই মাদক উদ্ধার হয়। ঘটনায় আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে এক সিরীয় নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কী এই ক্যাপটাগন?
ক্যাপটাগনের আসল নাম ফেনেথাইলিন। ১৯৬০-এর দশকে জার্মানিতে এটি তৈরি হয়েছিল মূলত হাইপারঅ্যাকটিভ শিশু, ডিপ্রেশন ও নারকোলেপসি রোগীদের চিকিৎসার জন্য। পরে এর ভয়াবহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সামনে আসায় বিভিন্ন দেশ এটি নিষিদ্ধ করে।
বর্তমানে অবৈধভাবে তৈরি ক্যাপটাগনে সাধারণত অ্যামফেটামিন, ক্যাফেইন, মেথঅ্যামফেটামিনসহ নানা রাসায়নিক মেশানো হয়। এটি শরীরে শক্তি বাড়ায়, ক্লান্তি কমায় এবং দীর্ঘ সময় জেগে থাকতে সাহায্য করে।
কেন ‘জিহাদি ড্রাগ’? (Jihadi Drug)
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, আইএস-এর মতো জঙ্গি সংগঠন যুদ্ধের সময় সাহস, সহনশীলতা ও সতর্কতা বাড়াতে এই মাদক ব্যবহার করত। সেই কারণেই এর নাম হয়েছে ‘জিহাদি ড্রাগ’।
আরও পড়ুন: Education Policy: লক্ষ্য আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা: জাতীয় শিক্ষা নীতির আওতায় এবার রাজ্যও
কী কী ক্ষতি হয়? (Jihadi Drug)
স্বল্পমেয়াদে হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, রক্তচাপ বাড়া ও শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে অবসাদ, অনিদ্রা, অপুষ্টি, হৃদরোগ এবং মানসিক সমস্যার ঝুঁকি তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাদকে আসক্তি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও অত্যন্ত বেশি। ভারতে প্রথমবার এই মাদক উদ্ধারের ঘটনা আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রে দেশের সম্ভাব্য ব্যবহারের দিকেও ইঙ্গিত করছে।



