Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তীব্র দাবদাহের মধ্যে অবশেষে স্বস্তির ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দপ্তর (Weather)। তবে এই স্বস্তি আসছে ঝড়বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুতের ঝুঁকি নিয়ে। আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কালবৈশাখীর প্রভাবে আবহাওয়া বেশ অস্থির থাকবে বলে পূর্বাভাস।

কোন জেলায় বেশি ঝুঁকি? (Weather)
আবহাওয়া দপ্তর দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করেছে। বিশেষ করে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং উত্তর ২৪ পরগনায় প্রবল ঝড়বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এই সব এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বা তার বেশি গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
গরমের পর বিকেলে ঝড়ের সম্ভাবনা (Weather)
Kolkata-এ সকাল থেকেই গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া অনুভূত হবে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও বাড়বে। দুপুর পর্যন্ত রোদের তেজ থাকলেও বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা প্রবল।
বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ৪০–৫০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।

সোমবার থেকেও অব্যাহত ঝড়বৃষ্টি (Weather)
শুধু রবিবার নয়, সোমবারও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় কালবৈশাখীর প্রভাব থাকবে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা, বর্ধমান, বীরভূম, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত প্রায় সব জেলাতেই ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
তাপমাত্রা কমবে কতটা? (Weather)
দাবদাহে নাজেহাল পরিস্থিতির মধ্যে এই ঝড়বৃষ্টি কিছুটা স্বস্তি আনতে পারে। আবহাওয়াবিদদের মতে, বুধবারের মধ্যে তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে। তবে আর্দ্রতা বেশি থাকায় সম্পূর্ণ স্বস্তি মিলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা (Weather)
উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতিও বেশ উদ্বেগজনক। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে পূর্বাভাস।
শুক্রবার পর্যন্ত প্রায় সব জেলাতেই ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: Noapara Blast: শেষ দফা ভোটের আগে উত্তেজনা, বোমা বিস্ফোরণে কাঁপল নোয়াপাড়া!
বজ্রপাত ও ঝড়ে সতর্ক থাকুন
কালবৈশাখীর সময় বজ্রপাত বড় বিপদের কারণ হতে পারে। তাই খোলা জায়গায় না থাকা, গাছের নিচে আশ্রয় না নেওয়া এবং প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানে থাকা অত্যন্ত জরুরি। গ্রামাঞ্চলে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।



