Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাংলা চলচ্চিত্রের সর্বকালের সেরা নায়ক বললে প্রথমেই যার নাম উচ্চারিত হয়, তিনি মহানায়ক উত্তম কুমার (Kali Puja in Madhyamgram 2025)। বাঙালির গর্ব, আবেগ এবং নস্টালজিয়ার প্রতীক এই কিংবদন্তিকে শ্রদ্ধা জানাতে এ বছর কালীপুজোয় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে মধ্যমগ্রামের রবীন্দ্রপল্লি ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন। তাঁদের এবারের থিম ‘ভাবনায় শতবর্ষে মহানায়ক’।

মণ্ডপে লাইট, সাউন্ড, ক্যামেরা- অ্যাকশনে (Kali Puja in Madhyamgram 2025)
উদ্যোক্তাদের সূত্রে খবর, এ বছর মণ্ডপজুড়ে থাকবে মহানায়কের অভিনীত জনপ্রিয় বাংলা সিনেমার দৃশ্য, সংলাপ ও গান। দর্শনার্থীরা মণ্ডপে প্রবেশ করলেই বিশেষ লাইট, সাউন্ড ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেকশনের মাধ্যমে শুনতে পাবেন উত্তম কুমারের কালজয়ী সংলাপ, “তুমি আজ কেঁদো না, আমি আছি তোমার পাশে” এমন বহু সংলাপের সঙ্গে বাজবে তাঁর হিট ছবিগুলির গানও। সাড়ে চুয়াত্তর, শাপমোচন, অমানুষ, আনন্দ আশ্রম, হারানো সুর, চাওয়া পাওয়া, সপ্তপদী, জীবনতৃষ্ণা, নায়ক এই সব কালজয়ী ছবির মুহূর্ত থাকবে মণ্ডপজুড়ে।
খণ্ডচিত্রে সাজানো হবে মণ্ডপ (Kali Puja in Madhyamgram 2025)
জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মহানায়কের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলি ফুটিয়ে তোলা হবে মণ্ডপের গঠন ও অলঙ্করণে। প্রায় ১৬০০ বর্গফুট জায়গা জুড়ে তৈরি হচ্ছে এই বিশাল প্যান্ডেল। চোখে পড়বে উত্তম কুমারের বিভিন্ন মুড ও চরিত্রের প্রতিচ্ছবি কখনও রোমান্টিক নায়ক, কখনও দার্শনিক, কখনও বাস্তববাদী বাঙালির মুখ।
বাঙালির আত্মপরিচয়ের প্রতীক মহানায়ক (Kali Puja in Madhyamgram 2025)
পুজো কমিটির এক কর্তা জানিয়েছেন, “বর্তমানে ভিনরাজ্যে বাঙালিরা নানা ক্ষেত্রে অপমানের মুখে পড়ছেন। এমন সময় আমরা এমন একজন বাঙালিকে মণ্ডপে তুলে ধরছি, যিনি বিশ্বজুড়ে বাঙালির আত্মগৌরবের প্রতীক।”
থাই সংস্কৃতির ছোঁয়া (Kali Puja in Madhyamgram 2025)
অন্যদিকে খবর সূত্রে জানা যায়, মধ্যমগ্রামের ইয়ং রিক্রিয়েশন ক্লাব-এর কালীপুজো মণ্ডপ তৈরি হচ্ছে থাইল্যান্ডের বিখ্যাত গোল্ডেন টেম্পল-এর আদলে। প্রায় ৮০ ফুট উঁচু এবং ৯০ ফুট চওড়া এই বিশাল মণ্ডপে ব্যবহৃত হচ্ছে ফাইবার, প্লাই, কাঠ ও বিশেষ রঙ। মণ্ডপের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি হচ্ছে প্রতিমাও। উদ্যোক্তাদের মতে, “মধ্যমগ্রামের অনেকেই আর্থিক কারণে থাইল্যান্ডে গিয়ে গোল্ডেন টেম্পল দেখতে পারেন না। তাঁদের কথা ভেবেই আমরা এই মণ্ডপ তৈরি করছি। আমাদের বিশ্বাস, দর্শকরা এখানে এসে থাই সংস্কৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।”
আরও পড়ুন: Kolkata Weather Update: বৃষ্টি থামল! তবে কি এবার শীতের কড়া নাড়া?
চন্দননগরের লাইটিং
এই মণ্ডপে চন্দননগরের কারিগররা তৈরি করছেন চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা। স্থানীয়রা বলছেন, পুজোর মরসুমে মধ্যমগ্রামের এই দুটি মণ্ডপই দর্শনার্থীদের প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠবে।



