Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শুক্রবার জুম্মার নামাজ চলাকালীন ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহাট (Khyber Pakhtunkhwa)। ‘ওল্ড পুলিশ লাইনস’-এর কাছে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এই বিস্ফোরণ ঘটে। সর্বশেষ পুলিশি তথ্য অনুযায়ী, ঘটনায় অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে পাঁচজন পুলিশকর্মী এবং ১১ জন সাধারণ নাগরিক রয়েছেন। আহত হয়েছেন বহু মানুষ, তাঁদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।

বিস্ফোরকবোঝাই গাড়ি, তারপরই গোলাগুলি (Khyber Pakhtunkhwa)
প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে, বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি ওল্ড পুলিশ লাইনসের গেটের দিকে ধাক্কা মারার পর বিস্ফোরণ ঘটে। এরপরই নিরাপত্তা বাহিনী ও সশস্ত্র হামলাকারীদের মধ্যে গুলির লড়াই শুরু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, হামলার সঙ্গে একাধিক আততায়ী জড়িত থাকতে পারে। ঘটনাস্থলটি দ্রুত ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী এবং শুরু হয় তল্লাশি অভিযান।
ব্যাপক ক্ষতি মসজিদ ও আশপাশের এলাকায় (Khyber Pakhtunkhwa)
বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে মসজিদের বাইরের অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি দেওয়াল ধসে পড়েছে এবং বিস্ফোরণের অভিঘাতে এলাকায় গর্তও তৈরি হয়েছে। আশপাশের কয়েকটি বাড়িঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আহতদের হাসপাতালে পাঠানোর কাজ শুরু করে।
হাসপাতালে জরুরি অবস্থা, চলছে উদ্ধারকাজ (Khyber Pakhtunkhwa)
আহতদের কোহাটের জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিস্ফোরণের পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। উদ্ধারকারী দল, পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। বিস্ফোরণস্থলের আশপাশের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee Symbol: টিএমসি মানে ‘তৃণমূল মমতা কংগ্রেস’? কমিশনে আরও কী নাম পাঠাল কালীঘাট তৃণমূল?
কারা হামলার নেপথ্যে? বাড়ছে প্রশ্ন
এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে খাইবার পাখতুনখোয়া দীর্ঘদিন ধরেই সশস্ত্র সংঘর্ষ ও জঙ্গি হামলার অন্যতম কেন্দ্র। পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান বা টিটিপি-সহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। ফলে এই হামলার নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা নিয়ে তদন্তকারীদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আপাতত হামলার ধরন, বিস্ফোরণের উৎস এবং জড়িতদের পরিচয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



