Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতার বাসিন্দাদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর শোনাল কলকাতা পুরসভা। এবার থেকে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা আবাসিক শংসাপত্র পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ। সোমবার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের নেতৃত্বে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে জানানো হয়েছে, এই শংসাপত্র (Domicile Certificate) সংগ্রহের জন্য আর টাউন হলে ছুটতে হবে না। পুরসভার এস এন ব্যানার্জি রোডের সদর দফতর এবং সংশ্লিষ্ট বরো অফিস থেকেই তা মিলবে।
কেন এই বদল?
রাজ্যে বর্তমানে ভোটার তালিকা সংশোধনী বা ‘SIR’ প্রক্রিয়া চলছে। এই আবহে বহু মানুষ ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের প্রয়োজন পড়ছে। এতদিন এই সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য টাউন হলের কাউন্টারে লম্বা লাইন দিতে হত শহরবাসীকে। নাগরিকদের এই ভোগান্তি কমাতে মেয়র পারিষদদের বৈঠকে সদর দফতরে কাউন্টার স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই সদর দফতর থেকে পুরোদমে এই পরিষেবা শুরু হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন:Kolkata Metro: বড়দিনে ভিড় সামাল দিতে স্পেশ্যাল মেট্রো! শেষ মেট্রোর সময়েও বদল
বাড়তি সুবিধা বরো অফিসে। শুধুমাত্র ডোমিসাইল সার্টিফিকেটই (Domicile Certificate) নয়, এখন থেকে জন্ম (Birth) ও মৃত্যু (Death) শংসাপত্রও সংশ্লিষ্ট বরো অফিস থেকে পাওয়া যাবে। এর ফলে সাধারণ মানুষকে আর মধ্য কলকাতার মূল কার্যালয়ে আসতে হবে না, তারা বাড়ির কাছের বরো অফিস থেকেই প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নিতে পারবেন।
ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) কেন জরুরি?
ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) মূলত কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাসের প্রমাণপত্র। পুরসভা সূত্রের খবর, যে সমস্ত মানুষ দীর্ঘকাল কলকাতায় বসবাস করছেন, তাঁরাই এই শংসাপত্র পাবেন।
- শিক্ষাক্ষেত্র: স্কুল-কলেজে ভর্তি বা উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এটি প্রয়োজনীয়।
- চাকরি: রাজ্য সরকারের বিভিন্ন চাকরির আবেদনের ক্ষেত্রে এই আবাসিক প্রমাণপত্র প্রয়োজন হয়।
- স্কলারশিপ: সরকারি মেধাবৃত্তি বা আর্থিক অনুদান পাওয়ার জন্য এটি অন্যতম প্রধান নথি।
- সরকারি প্রকল্প: কন্যাশ্রী, রূপশ্রী বা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা নিতেও এই সার্টিফিকেটের (Domicile Certificate) গুরুত্ব অপরিসীম।
আরও পড়ুন:Kolkata High Alert: বড়দিন থেকে নিউ ইয়ার, উৎসবের আনন্দে কড়া পাহারা কলকাতায়
পুরসভার এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের ফলে প্রশাসনিক কাজে যেমন স্বচ্ছতা আসবে, তেমনই সাধারণ মানুষের সময় ও ভোগান্তি দুই-ই কমবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।


