Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দুর্গাপুজোর আগে কলকাতায় জল জমার সমস্যা মোকাবিলায় বড়সড় উদ্যোগ নিল কলকাতা পুরসভা (Kolkata Puja)। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলির নিকাশি ব্যবস্থা সচল রাখতে দীর্ঘদিন ধরে চলছে নালা পরিষ্কার ও পলি অপসারণের কাজ। সেই কাজ কতটা এগিয়েছে, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বুধবার উল্টোডাঙা থেকে বেঙ্গল কেমিক্যালস পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ নিকাশি নালা পরিদর্শন করলেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক তথা কমিশনার স্মিতা পান্ডে।
ভূগর্ভে নেমেই কাজ খতিয়ে দেখলেন প্রশাসক (Kolkata Puja)
উল্টোডাঙা পাম্পিং স্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে শুরু করে বেঙ্গল কেমিক্যালস পর্যন্ত প্রায় ২.১ কিলোমিটার দীর্ঘ ভূগর্ভস্থ নিকাশি নালা পরিষ্কারের কাজ করেছে কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগ। গত এক বছর ধরে এই নিকাশি ব্যবস্থাকে সচল রাখতে ধারাবাহিকভাবে কাজ চলছে। এদিন সেই কাজের অগ্রগতি এবং বাস্তব পরিস্থিতি নিজের চোখে দেখতে ভূগর্ভস্থ নালায় নামেন স্মিতা পান্ডে। কীভাবে নালা থেকে পলি তোলা হয়েছে, কোথায় কী ধরনের সমস্যা রয়েছে এবং ভবিষ্যতে নিকাশি ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে কী পদক্ষেপ প্রয়োজন—সবকিছুই খুঁটিয়ে দেখেন তিনি।
পুজোর মরশুমে জল জমা রুখতেই বিশেষ নজর (Kolkata Puja)
দুর্গাপুজোর সময়ে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় জল জমা নিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি নতুন নয়। তাই উৎসবের মরশুমের আগে নিকাশি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতেই এই উদ্যোগ বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে। বিশেষ করে উল্টোডাঙা ও ইএম বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় দ্রুত জল নিষ্কাশন নিশ্চিত করাই পুরসভার অন্যতম লক্ষ্য।
নাগরিক সচেতনতার বার্তাও প্রশাসনের (Kolkata Puja)
পরিদর্শনের পর স্মিতা পান্ডে জানান, নিকাশি ব্যবস্থা সচল রাখতে শুধু পুরসভার উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, সাধারণ মানুষের সচেতনতাও অত্যন্ত জরুরি। নিকাশি নালায় প্লাস্টিক বা অন্যান্য বর্জ্য না ফেলার জন্য বারবার নাগরিকদের কাছে আবেদন জানানো হচ্ছে। নালা পরিষ্কার রাখলে জল দ্রুত নেমে যেতে পারে এবং জল জমার সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে মনে করছে পুরসভা।
আরও পড়ুন: CJP Protest: ভারতের CJP আন্দোলনে বাংলাদেশের মদত? সারজিসের সমর্থন, বিস্ফোরক দাবি দিলীপের
কাজ শেষ, সুফলের আশায় পুরসভা
প্রায় ২.১ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ নালা থেকে পলি অপসারণের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রশাসক তথা কমিশনার। তাঁর আশা, এই কাজের ফলে উল্টোডাঙা-সহ ইএম বাইপাস সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় বর্ষা ও পুজোর সময়ে জল জমার সমস্যা অনেকটাই কমবে।



