Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাজ্যের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব কমতেই তাপমাত্রার পতন স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে (Kolkata Winter Season)। যদিও ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কাঙ্ক্ষিত জাঁকিয়ে শীত হাজির হয়নি, আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে এবার আর দেরি নেই। মাত্র দু’দিনের মধ্যেই শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে। ইতিমধ্যেই ভোরবেলা রাজ্যের প্রায় প্রতিটি জেলাই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে, আর বেলা বাড়লে মিলছে ঝলমলে রোদ। শীতের এই আগমনী সুর দুই বাংলাতেই স্পষ্ট।

দক্ষিণবঙ্গের সকাল শান্ত (Kolkata Winter Season)
রাজ্যের দক্ষিণ অংশে বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই কুয়াশার ঘনত্ব ছিল চোখে পড়ার মতো। হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, দুই বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া সব জেলাতেই সকাল ছিল ধূসর ও আর্দ্র। বিশেষত উপকূলবর্তী এলাকায় কুয়াশার ঘনত্ব আরও বেশি দেখা গেছে। দুপুরের দিকে সূর্যের আলো শক্তিশালী হয়ে উঠতেই পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়, কিন্তু সকাল ও রাতের দিকে আবারও কুয়াশা জমতে পারে বলে পূর্বাভাস।
শীতের প্রথম জোরালো আভাস (Kolkata Winter Season)
কলকাতায় বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য কম এবং চলতি মরশুমে এটাই সবচেয়ে ঠান্ডা সকাল। এর আগে ২৭ নভেম্বর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৪ ডিগ্রি। আবহবিদরা জানাচ্ছেন, উত্তুরে হাওয়া এখন অবাধে দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করছে। ফলে আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। এই পারদপতন টিকবে অন্তত চার থেকে পাঁচ দিন।

শুষ্ক আবহাওয়াই এবার শীতের সঙ্গী (Kolkata Winter Season)
শীত নেমে আসার পথে বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। তাদের মতে, উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ দুই জায়গাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত শূন্য, আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক, তাপমাত্রা থাকবে স্বাভাবিকের কাছাকাছি, সকালে ও রাতে শীতের অনুভূতি তুলনামূলক বেশি, উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্যভাবে নিচে নেমেছে। দিনভর শীতের তীব্রতা থাকলেও দক্ষিণবঙ্গে দুপুরে ঠান্ডা কিছুটা কম অনুভূত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: Mamata: হুলিয়া জারি করবেন না যাতে বৃটিশ রাজের কথা মনে পড়ে যায়: কেন্দ্রকে তোপ মমতার
এবার ভারী পোশাকের পালা
এতদিন হাফহাতা সোয়েটারেই কাজ চললেও বৃহস্পতিবারের পর থেকে পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে পারে। আবহবিদদের আশঙ্কা, উত্তুরে হাওয়ার গতিপথে কোনও বাধা না থাকায় দক্ষিণবঙ্গেও রাতের তাপমাত্রা আরও দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমতে পারে। শীতের প্রকৃত রূপ দেখা যাবে এই সপ্তাহের শেষদিকে।



