Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আইপিএল-এ একদমই পারফর্ম করতে পারেননি মুম্বইয়ের দুই প্লেয়ার (Kris Srikkanth)।
মুম্বইয়ের দুই প্লেয়ার সমালোচনার মুখে (Kris Srikkanth)
কাজটা কঠিন হলেও এবার সময় এসেছে মুম্বইয়ের কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার। একদিকে কলকাতা আর অন্যদিকে মায়ানগরী। মায়ানগরী এখন মায়ার জালে নিজেরাই আবদ্ধ আর সেই জালে জড়িয়ে টেবিলের নয় নম্বরে রয়েছে। তবে শেষ স্থান কাউকে ছাড়েনি কেকেআর। একদিকে কলকতার সমালোচনা বেশি হচ্ছে নাকি মুম্বইয়ের বলা কঠিন। এখন এই পিছিয়ে থাকার প্রতিযোগিতায় না থেকে দুই দল এগোতে পারে কিনা সেটাই দেখার (Kris Srikkanth)।
চলতি আইপিএল-এ চার ম্যাচ হেরে বিপাকে সূর্যকুমার যাদবরা। অধিনায়ক হিসেবে হার্দিককে সরানোর দাবি একদিকে জোরালো হচ্ছে অন্যদিকে চিন্তা বাড়িয়েছেন রোহিত শর্মা এবং বুমরা। চোটের জন্য খেলতে পারছেন না রোহিত আর উইকেট পাচ্ছেন না বুমরা। তবে দল কি এই দুই জনের দায়িত্বে খেতাব জেতার স্বপ্ন দেখেছিল? বাকি প্লেয়ারদের ভূমিকা কী? এই প্রশ্নের উত্তর জানা নেই তবে দলের দুই বোলারের কড়া সমালোচনায় কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত। তাঁদের বেতন মিটিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিলেন তিনি।

মুম্বই দলে রয়েছেন দুই ভারতীয় পেসার ‘লর্ড’ শার্দুল এবং দীপক চাহার। এই দুজনের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়ে শ্রীকান্ত বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি না কেন দীপক চাহারকে খেলানো হচ্ছে। আগের ম্যাচে ২২, এ বার প্রথম ওভারে ২১ রান দিয়েছে। শার্দুল তিন ওভারে ৪২ রান দিয়েছে। দু’জনে মিলে ৫.৩ ওভারে ৮৭ রান দিলে ম্যাচ জেতা সম্ভব? প্রথম একাদশেই রাখা উচিত নয় (Kris Srikkanth)।’
তবে তিনি এখানে না থিম আরও কিছুটা যোগ করেছেন নিজের বক্তব্যে। তিনি বলেন, ‘ওদের বাড়ি পাঠিয়ে দাও। বেতন মিটিয়ে দিয়ে বলো এই মরশুমে আর দলে না ফিরতে। দরকার হলে পরে ডাকা হবে। MI এই সিদ্ধান্ত নিতেই পারে, এটা ভুল নয়।’
আরও পড়ুন: Mothabari Case: ২১ এপ্রিল বদলে দেবে মোথাবাড়ি মামলার মোড়
গত ম্যাচে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ১৯৫ রান তুলেও মুম্বই ম্যাচ হারে। জলে যায় কুইন্টন ডি ককের দুরন্ত সেঞ্চুরি। প্রশ্ন ওঠে বোলিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে। সেই ম্যাচেই আবার প্রকাশ্যে আসে হার্দিক-বুমরা ‘ঝামেলা’। পাঞ্জাবের ওপেনার প্রভসিমরন সিং ও প্রিয়াংশ আর্য ফর্মে থাকলেও বুমরাকে দিয়ে বোলিং শুরু করায়নি মুম্বই, কিন্তু কেন? তার কোনও উত্তর নেই। পরিবর্তে প্রথম ওভারেই দীপক চাহার দেন ২১ রান।
রান দেওয়ার দিক থেকে উদার ছিলেন শার্দুল ঠাকুর। চাপে থাকা বুমরা চার ওভারে ৪১ রান দিলেও উইকেট পাননি। অন্য দিকে শার্দুল ও দীপক মিলে ৫.৩ ওভারে দেন ৮৭ রান। এই নিয়েই রেগে আগুন শ্রীকান্ত (Kris Srikkanth)।


