Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দুর্গাপুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন মহাসপ্তমী (Mahasaptami 2026)। ষষ্ঠীর বোধনের পর সপ্তমীর সকালে শুরু হয় দেবী দুর্গার বিশেষ পুজো-অর্চনা। এই দিনের অন্যতম আকর্ষণ কলাবৌ স্নান এবং নবপত্রিকা প্রতিষ্ঠা। বাংলার দুর্গোৎসবের প্রাচীন ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এই রীতি। ভোরের আলো ফুটতেই নদী বা জলাশয়ের ঘাটে কলাবৌ স্নানের আয়োজন করা হয়। পরে নবপত্রিকাকে সাজিয়ে পুজোমণ্ডপে নিয়ে আসা হয়।
কলাবৌ স্নানের রীতি কী? (Mahasaptami 2026)
কলাগাছকে লালপাড় সাদা শাড়িতে সাজিয়ে (Mahasaptami 2026) নববধূর মতো রূপ দেওয়া হয়। তার সঙ্গে থাকে অন্যান্য পবিত্র গাছের সমাহার। এই সাজানো কলাগাছকেই সাধারণভাবে কলাবৌ বলা হয়। সপ্তমীর সকালে পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণের মধ্যে দিয়ে নবপত্রিকাকে স্নান করানো হয়। এরপর নতুন বস্ত্র ও ফুল দিয়ে সাজিয়ে গণেশের পাশে স্থাপন করা হয়। বাংলার প্রচলিত রীতিতে কলাবৌকে গণেশের স্ত্রী বলে মনে করা হলেও, শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যায় নবপত্রিকা মূলত দেবী দুর্গারই একটি প্রতীকী রূপ।
আরও পড়ুন: Amit Shah: শহরে আসছেন অমিত শাহ, পুজোর প্ল্যানে থাকছে কী কী?
নবপত্রিকা পুজোর তাৎপর্য
নবপত্রিকা শব্দের অর্থ নয়টি পাতা বা উদ্ভিদের সমাহার। কলাগাছ, কচুগাছ, হলুদগাছ, জয়ন্তী, বেল, ডালিম, অশোক, মানকচু ও ধানের গাছ দিয়ে নবপত্রিকা তৈরি করা হয়। প্রতিটি উদ্ভিদকে দেবীর এক একটি শক্তির প্রতীক হিসেবে পুজো করা হয়। এই রীতির মধ্যে প্রকৃতি, কৃষি এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের এক নিবিড় সম্পর্ক ফুটে ওঠে।


