Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডার্বি মানেই টানটান উত্তেজনা। কিন্তু কোথায় কি? দর্শক এল গ্যালারি ভরল কিন্তু খেলার গতি যেন শ্লথ। ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে মরসুমের প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট(MB Derby)। আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে ভরপুর এই লড়াইয়ে দ্বিতীয়ার্ধের একটিমাত্র গোলই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিল।
প্রথমার্ধের খেলা (MB Derby)
খেলার প্রথমার্ধ গোলশূন্য। গোলের সুযোগ নষ্টের লড়াই। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে শুরু করে। ৬ মিনিটে রোহিত দানুর নেওয়া শট সহজেই লুফে নেন মোহনবাগান গোলরক্ষক বিশাল কাইথ।১৮ মিনিটে কিয়ানের বাড়ানো পাস থেকে সাহাল বল ধরে বাঁ পায়ে শট নিলেও তা ছিল বেশ দুর্বল, যা সহজেই আটকে দেন প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক প্রভসুখন গিল। ২৪ মিনিটে সাহালের শট পেনাল্টি বক্সের মধ্যে জিকসনের হাতে লাগলে পেনাল্টির জোরালো আবেদন জানায় মোহনবাগান, তবে রেফারি তাতে কর্ণপাত করেননি। ২৭ মিনিটে রোহিত দানুর থ্রু ধরে ডেভিড জোরালো শট নিলেও রাহুল ভেকে দুর্দান্ত ব্লকে দলকে বাঁচান।
প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি হলেও গোলের মুখ খুলতে পারেনি কোনও দলই। ফলে গোলশূন্য অবস্থাতেই শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা
সাহালের জাদুতে এগিয়ে গেল মোহনবাগান
বিরতির পর আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সবুজ-মেরুন শিবির। ৫৩ মিনিটে ম্যাচের ডেডলক ভাঙেন সাহাল আবদুল সামাদ। কিয়ানের দারুণ মাইনাস এবং মনবীরের ফলস মুভের সুযোগ নিয়ে নিখুত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন সাহাল। এগিয়ে যায় মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (১-০)। গোল হজম করার পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে প্রতিপক্ষ।
বিষ্ণু এবং রশিদরা লাগাতার আক্রমণ শানাতে থাকেন। ৭৯ মিনিটে চুংনুঙ্গার জোরালো শট বিশাল বাঁচালেও ফিরতি বল বাইরে উড়িয়ে দেন রশিদ।
৮৬ মিনিটে বিষ্ণুর ক্রসে দানি রামিরেজের পা ছোঁয়ালেও বল গিয়ে লাগে পোস্টে। ৯০+১ মিনিটে ম্যাচের একেবারে অন্তিম মুহূর্তে বিষ্ণুর সেন্টার থেকে রশিদের শট ফের অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন বিশাল কাইথ(MB Derby)।
আরও পড়ুন: Kalighat TMC Michhil: অনুমতি মিলল না পুলিশের: পদ্মপুকুর থেকে লালবাজার মিছিল কালীঘাট-তৃণমূলের
ম্যাচের সারাংশ (MB Derby)
পুরো ম্যাচে রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক বিশালের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। প্রথমার্ধের গোলের খরা কাটিয়ে দ্বিতীয়ার্ধের গোলটিই তাদের তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে।



