Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রবিবার দুপুরে মেমারি-হাওড়া লোকাল ট্রেনে চরম ভোগান্তি। ৩৭৬৫২ মেমারি-হাওড়া লোকাল (Memari-Howrah Local) থেমে গেল মাঝপথেই। নির্ধারিত সময়ে চললেও উত্তরপাড়া স্টেশনে দাঁড়ালই না ট্রেনটি। যাত্রীদের মধ্যে তৈরি হয় তীব্র উত্তেজনা। উত্তরপাড়া এবং বালির মাঝে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল ট্রেন। কেন এমন বিপত্তি?
উত্তরপাড়া পেরিয়ে বিভ্রাট, থমকে গেল লোকাল (Memari-Howrah Local)
রোজকার নির্ধারিত সময় মতোই নিয়ম মেনেই রবিবার দুপুরে ৩৭৬৫২ মেমারি-হাওড়া লোকাল (Memari-Howrah Local) তার নির্দিষ্ট পথে চলছিল। কিন্তু উত্তরপাড়া স্টেশন আসতেই শুরু হল বিপত্তি। নির্ধারিত এই স্টেশনে আর থামল না ট্রেন। শুরু হয়ে যায় যাত্রীদের মধ্যে তুমুল হইচই। প্ল্যাটফর্মে নামার জন্য তৈরি যাত্রীরা হতবাক হয়ে দেখেন, ট্রেনটি গন্তব্যের দিকে এগিয়ে চলেছে।
উত্তরপাড়া পেরোনোর পর পরই উত্তরপাড়া স্টেশন এবং বালির মাঝামাঝি জায়গায় হঠাৎ থমকে যায় লোকাল ট্রেনটি। ব্যাস তারপর আর কি! মাঝপথে ট্রেন থেমে যাওয়ায় সবার মনে একটাই প্রশ্ন, ট্রেনটি কি সামনে এগিয়ে যাবে, নাকি পিছিয়ে আসবে? কিছুক্ষণের কৌতূহল ও উত্তেজনার পর জানা যায়, রেল কর্তৃপক্ষ ট্রেনটিকে আবার পেছনের দিকে অর্থাৎ উত্তরপাড়া স্টেশনের দিকে ফিরিয়ে নিয়ে আসছে।
সময় নষ্ট, হয়রানির শিকার অসংখ্য যাত্রী (Memari-Howrah Local)
ট্রেনটি পিছিয়ে এলেও সমস্যার পুরোপুরি সমাধান হয়নি। জানা গিয়েছে, যে ট্রেনটির ১টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছনোর কথা ছিল, সেটি উত্তরপাড়া স্টেশন থেকেই ১টা ৩২ মিনিটে হাওড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এই অপ্রত্যাশিত দেরির ফলে বহু যাত্রীর সময় নষ্ট হয় এবং তাঁরা হয়রানির শিকার হন।
অনেক যাত্রীকেই হাওড়া থেকে মেদিনীপুরগামী ট্রেন ধরতে হতো, এই দেরির কারণে তাঁদের সেই ট্রেন ধরার ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি হলো। এক ক্ষুব্ধ যাত্রীর কথায়, “ট্রেনে সচরাচর এমন সমস্যা খুব একটা হয় না। কিন্তু আজ যা ঘটল, তাতে আমাদের হাওড়া পৌঁছতেই অনেকটা দেরি হয়ে যাবে।”
যাত্রীরা খানিকটা নিশ্চিন্ত হন এই ভেবে যে অন্তত তাঁরা গন্তব্যে পৌঁছতে পারছেন। তবে প্রশ্ন উঠছে, রেল পরিষেবার এই গাফিলতির দায় কার? কেন উত্তরপাড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে ট্রেন (Memari-Howrah Local) নির্ধারিত সময়ে থামতে ব্যর্থ হল? সাধারণ মানুষের মূল্যবান সময় নষ্ট এবং হয়রানির জন্য রেল কর্তৃপক্ষ কীভাবে ক্ষতিপূরণ দেবেন, সেই জবাব চাইছে সাধারণ মানুষ। রেলের তরফ থেকে এখনও এই বিভ্রাটের কারণ বা দায় নিয়ে কোনো স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়নি।


