Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডার্বির আগে মোহনবাগান শিবির (Mohun Bagan Durand) থমথমে থাকলেও হুঙ্কার ক্লাব সভাপতি দেবাশিস দত্ত-র। ক্লাব তাঁবুতে বসেই সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে হুঙ্কার দিলেন। রেফারিকেও তোপ দাগলেন। পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গলই এই ম্যাচে ফেভারিট মানলেন।
এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল (Mohun Bagan Durand)
ডার্বির হার দিয়ে ডুরান্ড কাপ অভিযান শুরু করলেও দুর্দান্ত কামব্যাক করেছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। গ্রুপ পর্বের পরের ম্যাচগুলোতে দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে এবং সেমিফাইনালে এসসি দিল্লিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ফাইনালে টিকিট কনফার্ম করেছে তারা। মাঝমাঠে দানি রামিরেজ এবং আক্রমণভাগে দলের ফুটবলাররা বেশ ছন্দে রয়েছেন। কিন্তু এর উর্ধে হল রেফারিং ফ্যাক্টর। বললেন দেবাশিস দত্ত। তিনি বলেন, “ইস্টবেঙ্গল এই ম্যাচে এগিয়ে। ওদের বিরুদ্ধে রেফারি ন্যায্য পেনাল্টি দেয়নি। আর আমাদের তো পেনাল্টি নেই। আমরা তো বলেছি ফুটবলারদের মানসিকভাবে প্রস্তুতি নাও। ১৩ জনের বিরুদ্ধে খেলতে হবে তোমাদের।”
ঠাসাসূচি নিয়ে ক্লান্তি (Mohun Bagan Durand)
পরপর ম্যাচ। প্রস্তুতি এবং রিকভারির সময় নেই ফুটবলারদের। তা নিয়ে ক্ষুব্ধ মোহনবাগান সভাপতি। তিনি জানান, “গতকাল রাত আটটায় শিলং থেকে কলকাতায় পৌঁছেছেন ফুটবলাররা। খুব ক্লান্ত ছেলেরা। এই তো কথা বললাম ওদের সঙ্গে। এরকম ভাবে সুচি হয় নাকি কখনও।”
এআইএফএফকে হুঙ্কার (Mohun Bagan Durand)
ডুরান্ড ফাইনালে মুখোমুখি কলকাতার দুই প্রধান (Mohun Bagan Durand)। সুতরাং ট্রফি বাংলার বাইরে যাবে না। এই বিষয়ে দেবাশিস দত্ত জানিয়েছেন, “আমরা ১৮৮৯ ওরা ১৯২০। ওদের সম্মান দিয়েই বলছি। ভারতীয় ফুটবলে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান শেষ কথা। অন্য রাজ্যের কোনও ক্লাব কিছু জিতলেই বাংলার ফুটবল নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। কিন্তু আজ প্রমাণিত ফুটবলে বাংলাই সেরা। এটা সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডাড়েশন যত তাড়াতাড়ি বুঝবেন ততই ভালো।”



