Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ‘ও চাঁদ, সামলে রেখো জোছনাকে’, ‘চাঁদের হাসির বাঁধ ভেঙেছে’, ‘চাঁদ ছুপা বাদল মে,’ (Moon Discover Theory) রবি ঠাকুরের গান হোক বা বলিউড, চাঁদের উপস্থিতি সবখানেই। চাঁদের সঙ্গে খাবারেরও তুলনা হয়। যেমন ধবধবে চাঁদপানা রসগোল্লা। কিন্তু যেই চাঁদকে নিয়ে এতকিছু, সেই চাঁদের জন্ম নিয়ে রহস্য আজও ঘনীভূত।
চন্দ্র অভিযান (Moon Discover Theory)
নাসা দ্বিতীয়বারের জন্য চাঁদে মানুষ পাঠাবার ব্যবস্থা (Moon Discover Theory) করছে। সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে আর্টেমিস অভিযানের দুই ধাপ। তবু চাঁদের জন্ম রহস্য আজও উদ্ধার হয়নি সম্পূর্ণভাবে। পৃথিবীর এই গোল সাদা একমাত্র উপগ্রহটির অবস্থান সম্পর্কে এখনও ১০০% নিশ্চিত হতে পারেনি বিজ্ঞানীরা। এই নিয়ে বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের অন্ত নেই।
পৃথিবী থেকেই জন্ম (Moon Discover Theory)
কারোর কারোর মত, পৃথিবী থেকেই নাকি জন্ম হয়েছে (Moon Discover Theory) চাঁদের। পৃথিবীর একটি অংশ ছিটকে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে চাঁদের। ১৯৬৯-১৯৭২ সালের মধ্যে নাসা মোট ৬ বার চাঁদে মানুষ পাঠিয়েছিল। ১২ জন মার্কিন নাগরিক চাঁদের ভূপৃষ্ঠে হেঁটে বেড়িয়েছেন, পতাকা ‘উড়িয়েছেন’, শিলা সংগ্রহ করেছেন। বিজ্ঞানীদের মত, সেই শিলাখণ্ডের সঙ্গে পৃথিবীর শিলার বেশিরভাগ উপাদানের মিল রয়েছে।

সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট চাঁদ
অনেক বিজ্ঞানীর মত, পৃথিবীর সঙ্গে এক পাথরখণ্ডের সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষের ফলে চাঁদ তৈরি হয়েছিল। মনে করা হয়, আনুমানিক ৪৫১ কোটি বছর আগে এই ঘটনা ঘটেছিল। সেই পাথরখণ্ডের নাম বিজ্ঞানীরা দিয়েছেন থেইয়া। এই দ্বিতীয় তত্ত্বের সপক্ষে যুক্তি স্বরূপ পৃথিবীর আগ্নেয় ব্যাসল্ট শিলার সঙ্গে চাঁদের শিলার সাদৃশ্যের কথা অনেক বিজ্ঞানী উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন: New CM Suvendu Adhikari: বঙ্গে ফুটেছে পদ্ম, মুখ্যমন্ত্রী হলেন শুভেন্দু
ওয়েস্ট্রেনেনের মতে, চাঁদ ছিল একেবারে গলে যাওয়া অবস্থায়। লিকুইড কন্সিস্টেন্সির মত। ১৭০০ কিমি ভূগর্ভ পর্যন্ত ছিল ম্যাগমা। ফলে তা শক্ত হয়ে জমতে কত সময় লেগেছে তা এখনও গবেষণাধীন।


