Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার বিশ্বকে বদলে দিচ্ছে প্রতিদিন (Trust In chatGPT) । OpenAI এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় জানা গেছে, কোটি কোটি মানুষ চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করলেও এর মূল ব্যবহার হচ্ছে সাধারণ প্রশ্ন করা বা পরামর্শ নেওয়া। জটিল কাজের জন্য যেমন কোডিং, সেই ব্যবহার তুলনামূলকভাবে অনেক কম। কোডিং নয়, তবে কেন সাধারণ প্রশ্নেই বেশি ভরসা চ্যাটজিপিটি-তে?
গবেষণার ফলাফল কী হবে? (Trust In chatGPT)
- ৪৯% ব্যবহারকারী সাধারণ প্রশ্ন, তথ্য যাচাই বা ব্যক্তিগত পরামর্শ নেওয়ার জন্য (Trust In chatGPT) ব্যবহার করেন।
- ৪০% ব্যবহারকারী ইমেল লেখা, ডকুমেন্ট তৈরি বা সময়সূচি পরিকল্পনার মতো দৈনন্দিন কাজে ভরসা করেন এআইয়ের উপর।
- ১১% ব্যবহারকারী নিছক আড্ডা দেওয়া বা ব্যক্তিগত ভাবনা শেয়ার করতেই চ্যাটজিপিটি-কে বেছে নেন।
কোডিংয়ের ব্যবহার খুবই কম (Trust In chatGPT)
ChatGPT-কে অনেকে বহুমুখী দক্ষতার ডিজিটাল সহায়ক হিসেবে ভাবেন। তবুও, গবেষণা জানাচ্ছে যে কোডিং বা প্রোগ্রামিং-এর মতো জটিল প্রযুক্তিগত কাজে এর ব্যবহার অত্যন্ত সীমিত। বরং সাধারণ মানুষের জীবনে সহজ সমাধান দেওয়ার ক্ষমতাই বেশি করে নজর কাড়ছে। কোডিং নয়, তবে কেন সাধারণ প্রশ্নেই বেশি ভরসা চ্যাটজিপিটি-তে?
ব্যবহারের হার কত? (Trust In chatGPT)
হার্ভার্ডের অর্থনীতিবিদ ডেভিড ডেমিংয়ের নেতৃত্বে হওয়া গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ChatGPT ব্যবহারকারী দেশ। বিশ্বব্যাপী মোট ট্রাফিকের প্রায় ৮.৭% আসে ভারত থেকে। এই সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেকেরও বেশি। এ থেকে বোঝা যায়, ভারতের তরুণ সমাজ, চাকরিজীবী ও শিক্ষার্থীরা দৈনন্দিন কাজে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করছেন সবচেয়ে বেশি।
আরও পড়ুন: Gemini: শাড়ি পরাতে পারলে, শাড়ি খুলতেও সময় নেবে না?
গবেষণা আরও জানাচ্ছে, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলিতে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের হার ৪ গুণ দ্রুত হারে বাড়ছে। এই ব্যবহার বৃদ্ধি সমাজের বড় একটি অংশকে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এখানে লিঙ্গ বৈষম্য প্রায় নেই বললেই চলে। নারী ও পুরুষ উভয়েই প্রায় সমানভাবে এআইকে ব্যবহার করছেন।

সাধারণ মানুষের প্রতিফলন কী?
সবশেষে গবেষকরা বলছেন, জটিল প্রযুক্তিগত দক্ষতার চেয়ে মানুষ বরং দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ সমস্যার সমাধানের জন্যই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বেশি নির্ভরযোগ্য মনে করছেন। ফলে চ্যাটজিপিটি হয়ে উঠছে এক ধরনের ডিজিটাল উপদেষ্টা, যাকে সাধারণ মানুষ হাতের নাগালে পেয়ে যাচ্ছেন।



