Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা, শামশেরগঞ্জ, সুতি ও ভগবানগোলা দীর্ঘদিন ধরেই গঙ্গাভাঙনের কবলে (Murshidabad)। প্রতি বছর বর্ষা এলেই নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এই সব এলাকায়। নদীগর্ভে তলিয়ে যায় বাড়িঘর, চাষের জমি ও বসতভিটে। বছরের পর বছর ধরে গঙ্গাভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন কয়েকশো পরিবার। নিরাপদ আশ্রয় ও স্থায়ী পুনর্বাসনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করে আসছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ (Murshidabad)
অতীতে ভাঙন রোধে সরকারি অর্থ বরাদ্দ হলেও তার যথাযথ ব্যবহার হয়নি। স্থায়ী সমাধানের পরিবর্তে মূলত বালির বস্তা ফেলে সাময়িকভাবে ভাঙন রোধের চেষ্টা করা হয়েছে। ফলে বর্ষা এলেই আবারও নতুন করে ভাঙনের মুখে পড়তে হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকাকে।
মুর্শিদাবাদ সফরে মুখ্যমন্ত্রী (Murshidabad)
রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর মুর্শিদাবাদ সফরে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রশাসনিক বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের পর তিনি জেলার ভাঙনপ্রবণ এলাকায় গঙ্গাভাঙন রোধের জন্য ২,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করেন। এই ঘোষণার পর থেকেই ফরাক্কা, শামশেরগঞ্জ, সুতি ও ভগবানগোলার ভাঙনপীড়িত মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।

তবে স্থানীয়দের দাবি (Murshidabad)
শুধু অর্থ বরাদ্দ করলেই হবে না, সেই অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী স্থায়ী ও টেকসই ভাঙন প্রতিরোধের কাজ দ্রুত শুরু করতে হবে, যাতে প্রতি বছর একই দুর্ভোগের শিকার হতে না হয়।
আরও পড়ুন: Green Churi: শ্রাবণে সবুজ কাচের চুড়ি পরার রীতি কেন?
পাশাপাশি যেসব পরিবার ইতিমধ্যেই গঙ্গাভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়েছেন, তাঁদের জন্য স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করারও দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাঁদের আশা, নতুন এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বহু বছরের গঙ্গাভাঙনের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ নিরাপদ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে পারবেন।



