Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আইএসএফ নেতা তথা ভাঙড়ের বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকী তৃণমূলের প্রার্থী প্রত্যাহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন (Naushad Siddiqui)। তাঁর বক্তব্য, নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর থেকে প্রার্থী প্রত্যাহারের ঘটনা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য ইতিবাচক নয়। যদিও তিনি স্পষ্ট করেছেন, আইএসএফ তৃণমূলের বিরোধী অবস্থানেই রয়েছে।
‘চাপ’ নিয়ে অভিযোগ (Naushad Siddiqui)
নওশাদের দাবি, রেজিনগরের প্রার্থী নিজেই তাঁর কর্মীদের উপর চাপ তৈরি হওয়ার কথা জানিয়েছেন। তাঁর মতে, প্রার্থী প্রত্যাহারের নেপথ্যে দলীয় অন্তর্কলহ, সাংগঠনিক দুর্বলতা কিংবা শাসক দলের চাপ—একাধিক কারণ থাকতে পারে। তবে তিনি জোর দিয়েছেন, নির্বাচনে যত বেশি রাজনৈতিক অংশগ্রহণ থাকবে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াও তত শক্তিশালী হবে।
প্রতীক নিয়ে আইএসএফের আপত্তি (Naushad Siddiqui)
সাক্ষাৎকারে নওশাদ নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়েও আপত্তি জানান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আইএসএফের জন্য আগে বরাদ্দ প্রতীক অন্য একটি দলকে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে তাঁদের দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে ইতিমধ্যেই আপত্তি জানানো হয়েছে।

আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি (Naushad Siddiqui)
প্রতীক সংক্রান্ত বিষয়ে আইনি লড়াইয়ের কথাও জানিয়েছেন নওশাদ। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ প্রতীক-সংক্রান্ত বিরোধ এবার আদালতের দরজায় পৌঁছতে চলেছে।
কংগ্রেস প্রার্থী গ্রেফতার নিয়েও সরব (Naushad Siddiqui)
একইসঙ্গে কংগ্রেস প্রার্থী গ্রেফতার, ভোটাধিকার এবং রাজনৈতিক দলের প্রতীক সংক্রান্ত একাধিক ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আইএসএফ নেতা। তাঁর অভিযোগ, সামগ্রিকভাবে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, তা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য উদ্বেগের। তবে এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ।
দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় প্রকাশ্যে (Naushad Siddiqui)
অন্যদিকে আইএসএফের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়েও কথা বলেন নওশাদ। রাজ্য কমিটির সদস্য শামসুর আলী মল্লিক এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি আব্দুল মালেক মোল্লাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ নিয়ে শোকজ করা হয়েছিল বলে জানান তিনি। বৈঠকে তাঁরা নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছেন। বিষয়টি দলের অভ্যন্তরীণ তদন্তের পর্যায়ে রয়েছে বলেও জানান নওশাদ।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee Symbol: টিএমসি মানে ‘তৃণমূল মমতা কংগ্রেস’? কমিশনে আরও কী নাম পাঠাল কালীঘাট তৃণমূল?
১৫ দিনের অপেক্ষা, তারপর সিদ্ধান্ত
নওশাদ জানান, দলের প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক আব্বাস সিদ্দিকী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগগুলির সত্যতা ও গুরুত্ব খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য ১৫ দিন সময় নেওয়া হয়েছে। এই সময় শামসুর আলী মল্লিককে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সংবাদমাধ্যমে দলীয় বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৫ দিন পর ফের বৈঠক হবে এবং আব্বাস সিদ্দিকীর সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন নওশাদ।



