Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: একসময় বাংলাদেশের ধাঁচে গণবিক্ষোভের ডাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে (Neha Bora)। তাঁর জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সরকার বদলের স্বপ্ন দেখেছিলেন রাজনৈতিক কর্মীদের একাংশও। সেই নেহা বোরা এবার দিল্লি হাই কোর্টে ১৬ অক্টোবরের ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ থেকে নিজেকে কার্যত সম্পূর্ণ দূরে সরিয়ে নিলেন। আদালতে তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, ওই বিক্ষোভে নেহার কোনও ভূমিকা ছিল না।
বিক্ষোভের আগেই আটক (Neha Bora)
১৬ অক্টোবর দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির তথাকথিত বিক্ষোভের আগে নেহাকে আটক করেছিল পুলিশ। যদিও অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা বা সৌরভ দাসের মতো তাঁকে প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট করা হয়নি। মাত্র ১৫-১৬ মিনিট আটক রাখার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু মুক্তির পরও আইনি জটিলতা কাটেনি। দিল্লির স্পেশ্যাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের তরফে নেহাকে নোটিস দিয়ে ১০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ড এবং ভবিষ্যতে শান্তি বজায় রাখার অঙ্গীকারপত্র দিতে বলা হয়।
সোশাল মিডিয়ার পোস্টই কি মূল অভিযোগ? (Neha Bora)
নেহার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি সোশাল মিডিয়ায় উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন এবং বিক্ষোভে লোক জমায়েতের চেষ্টা করেছেন। সেই অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ করেই দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। তাঁর আইনজীবী গোপাল সুব্রহ্মণ্যম আদালতে দাবি করেন, নেহা শুধুমাত্র সোশাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন—“বিকেল পাঁচটায় দেখা হবে।” তাঁর বক্তব্য, ওই পোস্টে কোথাও বিক্ষোভের কথা বলা হয়নি। ফলে সেটিকে বিক্ষোভে জমায়েতের ডাক হিসেবে দেখার কোনও কারণ নেই।
‘সরকার বদল’ নিয়ে তর্কে উত্তপ্ত আদালত (Neha Bora)
কেন্দ্রের তরফে আদালতে দাবি করা হয়, নেহা একাধিকবার প্রকাশ্যে সরকার বদলের হুমকি দিয়েছেন। পাল্টা নেহার আইনজীবীর যুক্তি, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার বদলের কথা বলা নিজেই অপরাধ নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন গণতন্ত্রেরই স্বাভাবিক অংশ।
আরও পড়ুন: Manipur Crisis: ফের উত্তপ্ত মণিপুর, গুলিতে কুকি-জো যুবকের মৃত্যু! বাড়িতে আগুন, বাড়ছে আতঙ্ক
রায় শুক্রবার, নজর হাই কোর্টের দিকে
নেহার বিরুদ্ধে শান্তিভঙ্গ এবং আইনবিরুদ্ধ জমায়েতে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ কতটা গ্রহণযোগ্য, এখন সেটাই মূল প্রশ্ন। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর দিল্লি হাই কোর্ট রায়দান স্থগিত রেখেছে। শুক্রবার এই মামলার রায় ঘোষণার কথা।



