Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: একসময় বামপন্থী ছাত্র-যুব রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন কানহাইয়া কুমার (Neha Bora)। জ্বালাময়ী বক্তৃতা, তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক বক্তব্য এবং ছাত্র আন্দোলনের ময়দান থেকে উঠে আসা নেতৃত্ব তাঁকে জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিতি দিয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর সেই কানহাইয়াকে ঘিরে প্রত্যাশা ক্রমশ ফিকে হয়েছে। এবার কি তাঁর জায়গাতেই নতুন মুখ খুঁজে পেয়েছে কংগ্রেস? রাজনৈতিক মহলে চর্চার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা।

ছাত্র আন্দোলন থেকে জাতীয় রাজনীতির মঞ্চে নেহা (Neha Bora)
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে আসা নেহা এখন দেশের বামপন্থী ছাত্র রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখ। নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন এবং পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দীর্ঘ অনশনে অংশগ্রহণ তাঁকে জাতীয় স্তরে পরিচিতি দেয়। পরবর্তী সময়েও একাধিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন আইসার সর্বভারতীয় সভাপতি। জ্ঞানেশ কুমার বিরোধী আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন তিনি।
রাহুলের পাশে নেহা, বাড়ছে রাজনৈতিক গুরুত্ব(Neha Bora)
সম্প্রতি রাহুল গান্ধীর সুপ্রিম কোর্ট অভিযান থেকে শুরু করে দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডি জোটের সমাবেশ—একাধিক কর্মসূচিতে সামনের সারিতে দেখা গিয়েছে নেহাকে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে আয়োজিত নকল সংসদ কর্মসূচিতেও বক্তৃতার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তাঁর আক্রমণাত্মক বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
কোথায় হারিয়ে গেলেন কানহাইয়া? (Neha Bora)
অন্যদিকে, একসময় রাহুল গান্ধীর উদ্যোগে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া কানহাইয়া এখন অনেকটাই আড়ালে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে উত্তর-পূর্ব দিল্লি কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও পরাজিত হন তিনি। পরবর্তী সময়ে এনএসইউআইয়ের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পেলেও দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রত্যাশিত সাফল্য আসেনি। ফলে দলের অন্দরে তাঁর গুরুত্ব কমেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

আরও পড়ুন: Kolkata Development: লন্ডনের অক্সফোর্ড স্ট্রিটের আদলে সাজবে কলেজ স্ট্রিট, বদলাবে বইপাড়া
নেহার জন্যও কি অপেক্ষা করছে পুরনো ফাঁদ?
তবে নেহাকে ঘিরে কংগ্রেসের এই আগ্রহ দলের অন্দরেই অস্বস্তি তৈরি করেছে বলে চর্চা। বিশেষত প্রবীণ নেতাদের একাংশের কাছে দলের বামপন্থী ঝোঁক কতটা গ্রহণযোগ্য, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। পাশাপাশি উমর খালিদের মুক্তির দাবিতে নেহার অবস্থানকে হাতিয়ার করে বিজেপি ভবিষ্যতে কংগ্রেসকে আক্রমণ করতে পারে বলেও রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।



